Business

খুচরো মদের দোকান খোলার রাস্তায় হাঁটল রাজ্যসরকার, শুরু হবে ৩ জেলায়

এবার মদের দোকান খোলার রাস্তায় পা বাড়াল রাজ্যসরকার। ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতিতে মদের দোকান খোলার পথে উদ্যোগ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।

এখন এ রাজ্যে মদের যে পাইকারি বিক্রয় কেন্দ্র রয়েছে তা পুরোপুরি রাজ্যসরকারের অধীনে। ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট বেভারেজ কর্পোরেশন এই রাজ্যে একমাত্র পাইকারি মদ বিক্রির দায়িত্বে রয়েছে। যাবতীয় খুচরো মদের দোকানকে এখান থেকেই মদ কিনতে হয়। রাজ্যে অন্য কোনও পাইকারি মদ বিক্রেতা নেই।

তবে এতদিন পাইকারি বিক্রি নিজেদের হাতে রাখলেও পাড়ায় পাড়ায় মদের দোকানের রাস্তায় হাঁটেনি রাজ্যসরকার। সেটা ছিল বেসরকারি হাতেই। এবার সেই রাস্তা থেকে সরে নিজেদের মদের দোকান খুলতে চলেছে রাজ্যসরকার।

রাজ্যসরকার ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রদান করবে। ফ্র্যাঞ্চাইজি পেতে হলে অবেদন করতে হবে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে মিলবে মদ বিক্রির লাইসেন্স ও রাজ্য সরকারি তকমা।

যিনি এই ফ্র্যাঞ্চাইজি পাবেন তাঁকে প্রাথমিকভাবে রাজ্যসরকারকে একটি টাকা দিতে হবে। সেইসঙ্গে তাঁর দোকানে বিক্রির লভ্যাংশের একটি ভাগ রাজ্যসরকারকে প্রদান করতে হবে। এতে আগামী দিনে রাজ্যসরকারের মদ বিক্রি থেকে আয় আরও বৃদ্ধি পাবে।

এলাকায় রাজ্যসরকারের দোকান পেলে অনেকেই সঠিক ব্র্যান্ডের সঠিক জিনিসটি পাওয়ার জন্য সেখানে ভিড় করবেন। কারণ দোকানটি রাজ্যসরকারের। এই মানসিকতা কিন্তু রাজ্যসরকারের কোষাগারে আরও অর্থ যোগানের পথ খুলে দেবে।

আর মূল যোগান তো তাদের হাতেই। কারণ এ রাজ্যে মদের পাইকারি বিক্রির একমাত্র মান্যতা রয়েছে রাজ্যসরকারের ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট বেভারেজ কর্পোরেশন-এর হাতে।

আপাতত ৩টি জেলায় খুচরো মদের ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনা করেছে রাজ্যসরকার। ৩টি জেলাই উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে এই প্রকল্প চালু হচ্ছে। কারণ এখানে মদের ২টি দোকানের মধ্যে দূরত্ব বেশি।

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button