বুর্জ খলিফার শহরে পাড়ি দিল বিখ্যাত তেজপুর লিচু, শুরু হল এক নতুন অধ্যায়
বিখ্যাত তেজপুর লিচু এক নতুন পথচলা শুরু করল। দেশের সীমা পার করে এই প্রথম তেজপুর লিচু পাড়ি দিল বিদেশের মাটিতে।
লিচুর দুনিয়ায় তেজপুর লিচুর একটা নিজস্ব পরিচিতি রয়েছে। অসমের এই লিচু কিন্তু দেশীয় বাজারে রীতিমত জনপ্রিয়। রসাল শাঁস, সুন্দর গন্ধ আর মিষ্টি স্বাদের কারণে এ লিচু এতদিন ভারতীয় বাজারে দাপটে শাসন করেছে। কিন্তু বিদেশের মানুষের সঙ্গে এ স্বাদের পরিচয় ঘটেনি। এবার সেই পথ খুলল।
ইতিহাস রচনা করে তেজপুর লিচু পাড়ি দিল দুবাইতে। ফলে তেজপুর লিচুর রফতানিও এবার শুরু হয়ে গেল। যা এই লিচুর কদর বিদেশের মাটিতে শুধু তৈরিই করবেনা, তারসঙ্গে এই লিচু চাষের সঙ্গে যুক্ত কৃষকদের অধিক মুনাফারও মুখ দেখাবে। আরও বেশি পরিমাণে ফলনে উৎসাহ পাবেন তাঁরা।
২০১৪ সালে তেজপুর লিচু জিআই ট্যাগ পায়। যা তাদের দেশীয় বাজারে আরও বেশি করে পরিচিতি তৈরি করে। সেইসঙ্গে এর বাজার চাহিদাও বৃদ্ধি করে। তেজপুর অঞ্চলের বহু মানুষ এই লিচু চাষের সঙ্গে যুক্ত। অসমের অর্থনীতিতেও এই তেজপুর লিচু চাষের একটা অবদান রয়েছে।
ভারতে যে লিচু হয়, তেজপুর লিচুকে বলা তারমধ্যে অন্যতম সেরা। সেই তেজপুর লিচুর বিদেশে পাড়ি দেওয়া উত্তর পূর্ব ভারতের ফল চাষকে অনেকটা অক্সিজেন দিল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।
বাজার বড় হলে, চাহিদা বাড়লে, ফলের উৎপাদন বৃদ্ধিতেও উৎসাহ বাড়বে কৃষকদের। যা তাঁদের রোজগারও বাড়াবে। সব মিলিয়ে তেজপুরের লিচুর দুবাই পাড়ি কেবল এই লিচু চাষের সঙ্গে যুক্ত কয়েক হাজার কৃষক পরিবারই নয়, উত্তর পূর্বের সমস্ত ফল চাষিদেরই নতুন আশার আলো দেখাল। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











