Business

এআই আশির্বাদ না অভিশাপ, ১ লক্ষ ৩০ হাজার কর্মীকে হাঁটাই করল প্রযুক্তি সংস্থাগুলি

এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ক্রমে বেড়ে চলেছে। যা অনেক কাজকেই সহজ করে দিয়েছে। আপাত দৃষ্টিতে তা প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিপ্লব হলেও সত্যই কি তা উপকার করছে, উঠছে প্রশ্ন।

এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন বিশ্বজুড়ে এক অন্যতম চর্চার বিষয়। যা মানুষের কাজকে অনেক সহজ করে দিচ্ছে। কিন্তু এআই কি সত্যিই প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আশির্বাদ? একটা সময় ছিল যখন স্কুল ছাত্রদের একটি রচনা খুব জনপ্রিয় ছিল। বিজ্ঞান অভিশাপ না আশির্বাদ। এখন সময়ের সঙ্গে সেই রচনা এমন হতেই পারে যে এআই অভিশাপ না আশির্বাদ?

এআই যতই মানুষের কাজ যান্ত্রিক উপায়ে করে দিচ্ছে ততই কমে যাচ্ছে মানুষের প্রয়োজন। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে রীতিমত প্রযুক্তিবিদদের প্রয়োজন কমিয়ে দিচ্ছে এআই। যা সময়ের সঙ্গে যতই শক্তিশালী হচ্ছে, ততই মানুষের কাজ প্রয়োজন হারাচ্ছে।

প্রযুক্তি সংস্থাগুলি দেখছে এআই দিয়ে যখন কাজ উঠে যাচ্ছে, তখন কর্মীদের মোটা মাইনে দিয়ে রাখার আর প্রয়োজন নেই। আর সেকথা তারা স্পষ্ট করে জানাচ্ছেও।

ইদানিংকালে বহু সংস্থা এআইয়ের সুবিধার দোহাই দিয়ে হাজার হাজার মানুষের কাজ কেড়ে নিয়েছে। চিনে গত ১ বছরে প্রযুক্তি সংস্থাগুলি প্রচুর কর্মী ছাঁটাই করেছে।

চিনের যে হিসাব সামনে এসেছে তা গোটা বিশ্বকে এআই নিয়ে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। চিনে গত ১ বছরে ১ লক্ষ ৩০ হাজার প্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত কাজ হারিয়েছেন। এআইয়ের কারণে তাঁদের আর প্রয়োজন নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে সংস্থাগুলি।

আগে কোনও সংস্থা তাদের অস্তিত্ব বাঁচানোর তাগিদে কর্মী ছাঁটাই করত। এখন তা বদলে গেছে। এখন বরং সংস্থা তার উন্নতির জন্য কর্মী ছাঁটাই করছে।

চিনের প্রযুক্তি সংস্থাগুলি আরও বেশি করে এআই নির্ভর উৎপাদন ও পরিষেবা দেওয়ার দিকে ঝুঁকেছে। যার জেরে বহু মানুষ কাজ হারাচ্ছেন। তবে এ চিত্র কেবল চিন বলেই নয়, সারা বিশ্বের মানুষের জন্যই একটা অশনিসংকেত। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article