দেশের নীল অর্থনীতির অন্যতম ভরসা হতে পাখির চোখ টুনা
লাক্ষাদ্বীপ ভারতের এমন এক অঙ্গ যা দেশের নীল অর্থনীতির অন্যতম ভরসা হওয়ার অপেক্ষায়। আর সেই লক্ষ্যে লাক্ষাদ্বীপের পাখির চোখ এখন টুনা।
ভারতের পূর্ব দিকের সমুদ্রভাগে যেমন আন্দামান বড় গর্ব, তেমন পশ্চিমের জলভাগের দিকে তাকালে লাক্ষাদ্বীপ। লাক্ষাদ্বীপে ক্রমশ বাড়ছে পর্যটন সুবিধা। ফলে সেখানে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। গড়ে উঠছে পর্যটকমুখী পরিকাঠামো।
কিন্তু লাক্ষাদ্বীপের বাসিন্দারা কেবল পর্যটনকেই ভরসা করছেননা। মৎস্যচাষকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে আগ্রহী তাঁরা। লাক্ষাদ্বীপ ভারতের নীল অর্থনীতির অন্যতম একটি কেন্দ্র হয়ে সামনে আসতে মরিয়া।
লাক্ষাদ্বীপ থেকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান মৎস্যজীবীরা। সেখানে তাঁদের এখন পাখির চোখ টুনা বা টুনা জাতীয় মাছ। আগামী ৫ বছরে প্রতি বছর ৫০ হাজার টন টুনা ধরার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে লাক্ষাদ্বীপ।
আধুনিক মাছ চাষ, সিউইড বা সামুদ্রিক শৈবাল চাষ-এর হাত ধরে ভারতের নীল অর্থনীতির বড় ভরসা হয়ে উঠতে রূপরেখা তৈরি করেছে লাক্ষাদ্বীপ। প্রসঙ্গত ৩৬টি দ্বীপ নিয়ে তৈরি লাক্ষাদ্বীপ এমন এক দ্বীপপুঞ্জ যার প্রায় প্রতিটি দ্বীপই প্রবালপ্রাচীরের অংশ।
লাক্ষাদ্বীপের মৎস্যচাষকে আধুনিক রূপ দেওয়ার জন্য অনেকগুলি পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা বড় ভরসা হয়ে এখানকার মৎস্যজীবীদের ভরসা যোগাচ্ছে।
গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য ৫০টি আধুনিক মাছ ধরার নৌকা, রঙিন মাছ চাষের জন্য আলাদা ব্যবস্থা, বাড়তে থাকা পর্যটনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পর্যটকদের জন্য ক্রীড়ামুখী মাছ ধরার ব্যবস্থা সহ একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে লাক্ষাদ্বীপ যে কেবল পর্যটনের জন্য নয়, ভারতের মাছ চাষের এক অন্যতম অংশ হতে চলেছে তা পরিস্কার। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













