কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাতে বাদামে জোর দিচ্ছে ভারতের ফলের বাটি
বাদাম অনেকরকম হয়। কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাতে সেই বাদামকেই পাখির চোখ করে ১ হাজার হেক্টর জমিকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
দেশে নানারকম বাদামের চাহিদা রয়েছে। নানাধরনের বাদাম বেশ দামি। বাদামের নানাধরন আবার বিশেষ আবহাওয়া ছাড়া হবেনা। সেই আবহাওয়া ও মাটি তো এই রাজ্যে রয়েছেই, তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে প্রযুক্তি ও আধুনিক ফলন ভাবনা। যা স্থানীয় কৃষকদের বাদাম চাষের মধ্যে দিয়ে মুখের হাসি চওড়া করতে পারে।
ভারতের ফলের বাটি বলা হিমাচল প্রদেশকে। সেই হিমাচল প্রদেশের সরকার এবার তাদের রাজ্যের কৃষকদের কথা মাথায় রেখে এবং বাদাম চাষকে সেখানকার এক অন্যতম উৎপাদন করে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে। কাঠবাদাম, আখরোট থেকে খোমানি বা পাইন বাদাম, সব ধরনের বাদামই চাষ শুরু করতে চলেছে তারা।
এজন্য ১ হাজার হেক্টর জমি বেছে নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে ৯০০ হেক্টর জমিতে ফলের বাগান রয়েছেই। সেগুলিকে আধুনিক করে সবটাই বাদাম চাষের ব্যবহারে সমৃদ্ধ করে তোলা হচ্ছে।
বাকি ১০০ হেক্টরকে একদম নতুন করে সাজানো হচ্ছে। জমিকে সেভাবে তৈরি করে নেওয়া হচ্ছে যাতে সেখানে নানা বাদামের চাষ করা সম্ভব হয়।
কৃষকরা যাতে সহজেই বিভিন্ন ধরনের বাদাম গাছের চারা পেতে পারেন, সেজন্য স্থানীয়ভাবে ২টি নার্সারি গড়ে তোলা হচ্ছে। যেখানে বাদাম চাষের জন্য প্রয়োজনীয় সবই পাওয়া যাবে। তাও আবার আধুনিক কৃষি বিজ্ঞান মেনে।
বাদাম গাছে হলেই তো হবেনা। তার প্রক্রিয়াকরণ, মান অনুযায়ী আলাদা করা, প্যাকেটজাত করার মত বিষয়গুলি যাতে সহজেই করা যায় তার জন্য ১০টি এমন কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে যেখানে এক ছাদের তলায় এই সবই সম্ভব হবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











