পৃথিবী আর মঙ্গলগ্রহে নীল ও লালের উলট পুরাণ, যেন আয়নার উল্টো ছবি
পৃথিবীতে বসে আর মঙ্গলে বসে একটা উলট পুরাণ নজর কাড়বে। ফারাকটা নীল আর লালের। আর সেখানেই আয়নায় উল্টো প্রতিচ্ছবির মত ঘটনা নজর কাড়ে।
পৃথিবী আর মঙ্গলগ্রহ, ২টিই সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে। পৃথিবীতেও সূর্য উঠছে, সূর্য অস্ত যাচ্ছে। মঙ্গলেও তাই। পৃথিবীরও মাথার ওপর আকাশ। মঙ্গলেরও তাই। তাহলে কি সবই এক? একই আবার কেবল উল্টো। কেমন উল্টো?
পৃথিবীতে বসে যখন সকলে আকাশের দিকে তাকায় তখন তা নীল দেখায়। আবার বিকেল নামছে, যখন সূর্য পশ্চিম দিগন্তে অস্তগামী, তখন তার টকটকে লাল ও গাঢ় কমলা রং সকলের নজর কেড়ে নেয়।
মঙ্গলে কিন্তু ঠিক উল্টোটা হয়। মঙ্গলে বসে কেউ যদি আকাশের দিকে তাকান তাহলে সে আকাশের রং নীল নয় লাল। আর মঙ্গলে বসে কেউ যদি সূর্যাস্ত উপভোগ করতে চান তাহলে তাঁর নজর কাড়বে লাল নয়, নীল রংয়ে সূর্যের দিগন্তে ঢলে পড়ার দৃশ্য।
সহজ করে বললে পৃথিবীর আকাশ নীল, সূর্যাস্ত লাল। কিন্তু মঙ্গলে আকাশ লাল আর সূর্যাস্ত নীল। এখানে ফারাকটা বাতাসের ঘনত্ব এবং বাতাসে বর্তমান গ্যাসের উপস্থিতিতে।
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল অনেক বেশি ঘন, তুলনায় মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল ঘনত্বে পৃথিবীর শতভাগের ১ ভাগ। অতি পাতলা লাল গ্রহের বায়ুমণ্ডল। তাছাড়া মঙ্গলের বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেশি।
সেখানে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন কণার উপস্থিতি রয়েছে। ফলে ২ গ্রহে সূর্যালোক প্রবেশের ধরনটা আলাদা। সেটাই ২ গ্রহের আকাশের রং, সূর্যাস্তের রংয়ে ফারাক তৈরি করে দেয়।












