পৃথিবীতে এমন একটি দেশ আছে যেখানে জিনস পরা মানা, নামটা সবার চেনা
জিনস এখন পুরুষ হোক বা মহিলা, সকলের পছন্দের প্যান্ট। ফলে ভারত বলেই নয়, বিশ্বের সব প্রান্তেই জিনসের রীতি আছে। কেবলমাত্র একটি দেশ বাদে।
নব্য প্রজন্ম তো বটেই, এখন প্রায় সব প্রজন্মের মানুষের কাছেই প্যান্ট হিসাবে জিনস অত্যন্ত জনপ্রিয়। নীল রংয়ের জিনস বিশ্বজুড়েই পুরুষ থেকে মহিলা সকলের অন্যতম পরিধেয়। অনেকে তো জিনস ছাড়া পরতেই চান না।
এই অতি জনপ্রিয় জিনস কিন্তু একটি দেশে পরা মানা। সেখানে জিনস পরা একেবারেই ভাল চোখে নেওয়া হয়না। একেবারে দেশের সরকারের থেকে জিনসে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।
দেশটির নাম প্রায় সকলের জানা। কোরিয়া একসময় ২ ভাগে ভাগ হয়ে তৈরি হয় দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া। এই উত্তর কোরিয়ার সরকার মনে করে জিনস হল মার্কিন সংস্কৃতির প্রতীক। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রতীক।
জিনস সে দেশের নয় বরং বাইরের দেশের প্রভাবকে শক্তিশালী করে। জিনস পুঁজিবাদী মানসিকতার প্রতীক। এই যুক্তিকে সামনে রেখে উত্তর কোরিয়ায় জিনস পরা মানা।
উত্তর কোরিয়ায় জিনস এতটাই ব্রাত্য যে কোনও বিদেশি টিভি শো সে দেশে প্রদর্শিত হলে তাতে যদি কেউ জিনস পরে থাকেন, তাহলে তাঁর পরনের জিনস ঝাপসা করে দেখানো হয়। যাতে তা দেশের মানুষকে প্রভাবিত করতে না পারে। আকর্ষিত করতে না পারে।
উত্তর কোরিয়ার শাসক নেতা কিম জং উন একে পুঁজিবাদী সংস্কৃতি বলে এর থেকে দূরে থাকার আইন তৈরি করেছেন। উত্তর কোরিয়ায় দেশের মানুষ কি পোশাক পরছেন সেদিকে দৈনিক নজর রাখা হয়।










