অ্যান্টার্কটিকায় মিলল ৮ কোটি বছরের পুরনো ডাইনোসর, নিদর্শন পড়েছিল একটি ড্রয়ারে, ভুলে গিয়েছিলেন সবাই
ডাইনোসর ঘুরে বেড়াত অ্যান্টার্কটিকাতেও। কুমেরুতে প্রথম পাওয়া ডাইনোসরের জীবাশ্মটি পড়েছিল একটি ড্রয়ারে। কারও মনেই ছিলনা সেটির কথা।
ডাইনোসর কোথায় ছিলনা! এখন যাকে বরফের রাজ্য বলেই সকলে জানেন, সেই অ্যান্টার্কটিকা বা কুমেরুতেও ঘুরে বেড়াত ডাইনোসর। তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।
অ্যান্টার্কটিকায় আগেই পাওয়া গিয়েছিল সেখানে পাওয়া প্রথম ডাইনোসরের জীবাশ্ম। যার খোঁজই ছিলনা। সেটি কার্যত অবহেলায় পড়েছিল একটি ড্রয়ারে। ৪০ বছর ধরে সেখানেই পড়ে থেকেছে এক অন্যতম প্রাগৈতিহাসিক খোঁজ। যার খবরই কারও কাছে ছিলনা।
যে জীবাশ্মটি ড্রয়ার থেকে পাওয়া গিয়েছে সেটি দেখে কেউ বলবে না সেটি কোনও ডাইনোসরের জীবাশ্ম। দেখে তেমন কিছুই বোঝার উপায় নেই। তবে সেটি একটি ডাইনোসরের হাড়। অ্যান্টার্কটিকায় পাওয়া প্রথম কোনও ডাইনোসরের নিদর্শন।
১৯৮৫ সালে মাটির তলা থেকে সেটি উদ্ধার হয়। কিন্তু যাঁরা উদ্ধার করেছিলেন তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি সেটি কি। ফলে জীবাশ্মটির জায়গা হয় কেমব্রিজের ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের দফতরের একটি ড্রয়ারে।
তারপর সেখানেই পড়েছিল সেটি। অবশেষে সেখানকার এক আধিকারিক যাবতীয় ড্রয়ারে কি পড়ে আছে তার খোঁজ করতে গিয়ে এটির দেখা পান। শুরু হয় সেটি কি তা জানার চেষ্টা।
৪০ বছর পর অবশেষে ডাইনোসর বিশেষজ্ঞেরা জীবাশ্মটি ড্রয়ার থেকে বার হওয়ার পর পরীক্ষা করে দেখেন। তাঁরা নিশ্চিত করেছেন যে সেটি একটি ডাইনোসরের লেজের হাড়।
পৃথিবীর বুকে যত ডাইনোসর ঘুরত বলে এখনও খোঁজ পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ডাইনোসরদের মধ্যে একটি টাইটানোসরাস। এই জীবাশ্মটি সেই টাইটানোসরাসের লেজের হাড়ের। যার কথা এতদিনে জানা গেছে।











