National

জলের তলায় ৫০০ গ্রাম, প্রায় ১ লক্ষ মানুষ ত্রাণ শিবিরে, বৃষ্টি থামছে না

বাংলার পাশেই ২ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ বন্যাবিধ্বস্ত। প্রায় ১ লক্ষ মানুষকে সরিয়ে আনা হয়েছে ত্রাণ শিবিরে। এদিকে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি হচ্ছে।

৬টি জেলার ৫০৩টি গ্রাম বন্যার কবলে। অধিকাংশ গ্রাম জলের তলায়। তৎপরতার সঙ্গে সেখানকার বাসিন্দাদের সরিয়ে আনার কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই ৯৫ হাজারের ওপর মানুষকে তুলে আনা হয়েছে ত্রাণ শিবিরে। তাঁদের ঘরবাড়ি সব জলের নিচে। আরও বহু মানুষকে উদ্ধারের জন্য ২৪ ঘণ্টা লড়াই চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

গবাদি পশুদের ক্ষতি হয়েছে। সে ক্ষতির খতিয়ান এখনও পরিস্কার নয়। ২২৬টি ত্রাণ শিবির তৈরি করা হয়েছে। পরিস্রুত পানীয় জল, খাবার থেকে শুরু করে যাবতীয় চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় পাওয়া মানুষজনকে।

এছাড়াও বন্যাবিধ্বস্ত এলাকাগুলিতে চিকিৎসার জন্য ছোট ছোট ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। খাবার ও পানীয় জলও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়।

ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশাল পরিমাণ কৃষিজমি জলের তলায়। যদিও ফুঁসতে থাকা নদীগুলির জল কিছুটা হলেও নেমেছে। কিন্তু বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি কিছু হয়নি। বরং বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি পরিস্থিতিকে প্রতিকূল করছে।

বাংলা লাগোয়া রাজ্য ওড়িশার ৬ জেলার এই বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। ময়ূরভঞ্জ, বালেশ্বর, ভদ্রক, জাজপুর এবং কেন্দুঝর জেলার হাল সবচেয়ে শোচনীয়। বন্যা কবলিত এলাকায় ৬২টি চিকিৎসক দল ঘুরে কাজ করে চলেছে।

এছাড়া গবাদি পশুদের সাহায্য করতে ৩১টি পশু চিকিৎসক দল নিরন্তর কাজ করছে। গবাদি পশুদের যাতে খাবারে অসুবিধা না হয় সেজন্য পশুখাদ্যও নিয়ে গিয়ে তাদের দেওয়া হচ্ছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article
nilkantho.in App