বাগানের মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এল গুপ্তধনের ঘড়া, সাড়ে ১৮ কেজির অমূল্য সম্পদ
বাগানের একটা অংশে টাইলস বসাবেন বলে মাটি খুঁড়ছিলেন এক ব্যক্তি। তখনই মাটির তলায় কিছু একটা জিনিসে কোদালটা গিয়ে লাগে। বাকিটা ইতিহাস।
তাঁর বাগানে মাটি, কাঁকর সব পড়ে আছে। সেসব খুঁড়ে তুলে দিয়ে বেশ কিছুটা অংশ টাইলস দিয়ে মুড়ে দিতে চেয়েছিলেন তিনি। সেইমত মাটি খুঁড়তে শুরু করেন। কাউকে দিয়ে নয়। নিজেই বাগান খোঁড়ার কাজটা করছিলেন। ঠিক তখনই তাঁর কোদালে কিছু একটা লাগে। শক্ত কিছু।
মাটির তলায় কি আবার রয়েছে? সেটা দেখার জন্য সেই জায়গাটার মাটি সরাতেই তাঁর নজর গিয়ে পড়ে একটি বড় পাত্রের দিকে। যেটা মাটির তলায় ছিল। সেটা বার করতেই তাঁর চক্ষু চড়কগাছ! তাঁর বাগানের মাটির তলায় যে এমন গুপ্তধনের ঘড়া রয়েছে তা তাঁর জানাই ছিলনা।
মাটি সরিয়ে যা পাওয়া যায় তা নেহাত কম কিছু নয়। একটি ঘড়ার মত বড় পাত্র পাওয়া যায়। যার মধ্যে ছিল অনেক রূপোর কয়েন, রূপোর নানা মাপের টুকরো, রূপোর নানাধরনের গয়না, রূপোর বার সহ কয়েকটি রূপোর জিনিস।
সবমিলিয়ে প্রায় ৭০০টি রূপোর জিনিস উদ্ধার হয়। অধিকাংশটাই ছিল ওই ঘড়ার ভিতর। তবে অনেকদিন থাকায় ঘড়ার কিছুটা ভেঙে গিয়েছিল। সেই ভাঙা অংশের ফাঁক গলে কিছু রূপোর জিনিস মাটিতে ছড়িয়েছিল।
মোট সাড়ে ১৮ কেজির এই প্রাচীন রূপোর ভান্ডার এক বিরল গুপ্তধন বলে মেনে নিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা। এগুলির বয়স ১ হাজার বছরের বেশি বলেই মনে করছেন তাঁরা। এই গুপ্তধন উদ্ধার হয়েছে ডেনমার্কের রেবিল্ড নামে এলাকা থেকে।











