গৃহবধূর দেহ পাওয়া যায় খাল থেকে, ১২ বছর পর তাঁকে জীবিত পাওয়া গেল পাশের রাজ্যে
প্রথমে নিখোঁজ হন। তারপর মহিলার বাপের বাড়ির অভিযোগের ভিত্তিতে শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ। দেহও পাওয়া যায়। তাঁকেই পাওয়া গেল ১২ বছর পর। পাশের রাজ্য থেকে।
বিয়ের পর তাঁর ওপর নানা কারণে শ্বশুরবাড়ির লোকজন অত্যাচার করছিলেন বলে অভিযোগ ছিলই। ২০১৪ সালে ওই গৃহবধূ নিখোঁজ হয়ে যান। তাঁর পিতৃগৃহ থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দিকে আঙুল তোলা হয়।
২ দিন নিখোঁজ থাকার পর একটি খাল থেকে এক মহিলার দেহ পাওয়া যায়। বধূর বাড়ির লোক সনাক্তও করেন যে সেটা তাঁদেরই মেয়ের দেহ। মহিলার স্বামী, শ্বশুরকে গ্রেফতার করা হয়।
দীর্ঘসময় পর ২ পরিবারের আর্থিক সমঝোতা হয়। শ্বশুরবাড়ির তরফে একটা মোটা অঙ্ক ক্ষতিপূরণ হিসাবে দেওয়ার পর এই মামলা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়। ওই মহিলা কোথায় সেটার খোঁজ করতে থাকেন তাঁর শ্বশুর। সে ঘটনা ছিল বিহারের রোহতাসের।
১২ বছর পর অবশেষে একটা খবর আসে বিহারে। জানতে পারা যায় ওই মহিলা জীবিত। তিনি পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডে সংসার করছেন। ঝাড়খণ্ডের লাভারি গ্রামে তিনি অন্য এক পুরুষের সঙ্গে সংসার করছেন বলে জানতে পারার পর সেখানে পুলিশ হাজির হয়।
শকুন্তলা দেবী নামে ওই মহিলাকে নিয়ে আসা হয় রোহতাসে। সেখানে তাঁকে আদালতে তোলা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। কিন্তু পুলিশ এখন অন্য চিন্তায় পড়েছে।
যদি শকুন্তলা দেবী বেঁচেই আছেন, তাহলে মহিলার বাড়ির লোকজন যে মহিলার দেহ সনাক্ত করেছিলেন তিনি কে? ১২ বছর ধরে সকলে জানতেন ওই দেহ শকুন্তলা দেবীর। কিন্তু এখন প্রশ্ন হল ওই মহিলার তাহলে পরিচয় কি ছিল? কি হয়েছিল তাঁর সঙ্গে? পুলিশ জানার চেষ্টা করছে।











