National

চন্দ্রভাগার অন্য প্রান্তে যেতে আড়াই ঘণ্টার পথ কমে দাঁড়াবে ১০ মিনিটে, আর কিছুদিনের অপেক্ষা

মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে চন্দ্রভাগা নদী। যার ওপর দিয়ে রেল ব্রিজ ইতিমধ্যেই ইতিহাসের পাতায় জায়গা করেছে। সেই নদী পার করতে আড়াই ঘণ্টার পথ নামতে চলেছে ১০ মিনিটে।

একটা নদী পার করে তার অন্য পারে রাস্তা। একটি ধার থেকে অন্য পারে যেতে এখন লাগে আড়াই ঘণ্টা। সর্বত্র নয়। তবে জম্মু কাশ্মীরের ডোডা জেলার সিরাজ এলাকার বাসিন্দাদের নদী পার করে অন্য পারের জাতীয় সড়কে পৌঁছতে এখন সময় লাগে আড়াই ঘণ্টা।

একটা নদী পার করতে এই বিপুল সময় অতিবাহিত করে আসছেন তাঁরা। যা কার্যত ওই এলাকাকে কিছুটা একধারে করে ফেলেছে। তবে আর সেই সমস্যা থাকছে না। আড়াই ঘণ্টার পথ এবার মাত্র ১০ মিনিটে অতিক্রম করা যাবে। ফলে যোগাযোগে কার্যত বিপ্লব ঘটবে।

কারণ চন্দ্রভাগার ওপর তৈরি হচ্ছে একটি ব্রিজ। এখানে চন্দ্রভাগা খরস্রোতা। চারধার পাহাড়ি। ফলে সেখানে ব্রিজ তৈরি করা চ্যালেঞ্জের। তবে সে ব্রিজ অনেকটাই তৈরি হয়ে গেছে।

২০২৫ সালে কাজ শুরু হয়েছিল। আর চলতি অর্থবর্ষেই এই ব্রিজ তৈরির কাজ শেষ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ব্রিজটি ২০০ মিটার লম্বা হচ্ছে। চওড়ায় ৫.১৫ মিটার।

এই ব্রিজটি কেবল হেঁটে পারাপারের জন্য নয়। এখান দিয়ে গাড়ি চলাচল করবে। এই ব্রিজ কার্যকরি হলে সিরাজ এলাকার সঙ্গে ২৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কের আসার যুক্ত হয়ে যাবে। যা ৯০ হাজার মানুষের জীবন বদলে দেবে। তাঁদের এতদিনের যোগাযোগের সমস্যা মুছে দেবে।

চন্দ্রভাগা নদীর ১০০ ফুট উপর দিয়ে ব্রিজটি তৈরি করা হচ্ছে। সেখান দিয়ে নিশ্চিন্তে গাড়ি চলাচল করবে। এটি তৈরি করতে প্রায় ২৫ কোটি টাকা ধার্য হয়েছিল।

এমন একটা ব্রিজ তাঁদের এলাকায় তৈরি হবে, এ স্বপ্ন বহু প্রজন্ম ধরে সিরাজ এলাকার বাসিন্দারা দেখে এসেছিলেন। এতদিনে তা বাস্তবায়িত হতে চলেছে।

চন্দ্রভাগার ওপর রেল সেতু এখন পৃথিবীর উচ্চতম সেতুর তকমা পেয়েছে। এবার এই মান্ডোল ব্রিজ তৈরি হলে আরও এক নতুন ইতিহাস রচনা হবে এখানে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article