মশার আঁতুড়ঘরের খবর দিল এআই, ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া রুখতে অভিনব উদ্যোগ
মশার আঁতুড়ঘরে বেড়ে উঠছে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়ার বাহকরা। তাই সেই আঁতুড়ঘরের খোঁজ নিতে হাতিয়ার হল এআই। এ এক অভিনব উদ্যোগ।
মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গি দেশের বিভিন্ন প্রান্তেই ছড়াচ্ছে। এছাড়া মশাবাহিত ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়াও সঙ্গত দিচ্ছে। ফলে বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এই পরিস্থিতিতে লাগাম দিতে গেলে মশায় লাগাম দিতে হবে। তাদের বৃদ্ধিতে লাগাম দিতে হবে। অর্থাৎ মশার আঁতুড়ঘরেই হানা দিতে হবে।
কিন্তু শহরের কোথায় কোথায় মশারা তাদের আঁতুড়ঘর বানিয়ে রেখেছে তার খোঁজ পাওয়া তো সহজ কথা নয়। স্বাস্থ্যকর্মীরা অনেক জায়গায় জমা জলে মশার লার্ভা খুঁজে বার করেন ঠিকই, তবে তা যথেষ্ট নয়।
এমন অনেক জায়গা থাকে যেখানে মশারা নিশ্চিন্তে ডিম পাড়ছে। কিন্তু তা নজরে আসেনা। এবার শহরের মশার আঁতুড়ঘর খুঁজে খুঁজে বার করতে মানুষ নয়, এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে হাতিয়ার করল রাজকোট শহরের পুরসভা।
মশার আঁতুড়ঘর খুঁজে পেতে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। শহরের ৫৯.৩৯ বর্গ কিলোমিটার এলাকা তন্নতন্ন করে খুঁজে দেখতে ড্রোন ব্যবহার করছে পুরসভা। আর সেই ড্রোনগুলি থেকে মশার আঁতুড়ঘরগুলিকে সনাক্ত করার জন্য কাজে লাগানো হচ্ছে এআই বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে।
যা দিয়ে শহরে ছড়িয়ে থাকা ৪ হাজার ৭৩১টি মশার আঁতুড়ঘরের খোঁজ পেয়েছে পুরসভা। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৪০টি স্থানে ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যকর্মীরা গিয়ে মশা নিধনের ব্যবস্থা করে এসেছেন। সেখানে কীটনাশক স্প্রে করা হয়েছে। বাকি জায়গায় ড্রোন দিয়ে স্প্রে করার কাজ করছে পুরসভা।
গুজরাটের রাজকোট শহরটির ব্যাপ্তি ১৬১.৮৫ বর্গ কিলোমিটার। তারমধ্যে ৫৯.৩৯ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় নজরদারি চালানো হয়েছে। বেছে বেছে সেখানেই ড্রোন উড়িয়ে এআই দিয়ে মশার আঁতুড়ঘর সনাক্তকরণের কাজ হয়েছে যেসব ওয়ার্ডে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











