National

গ্রামের নাম শুনলে আর বিয়ে দিতে চান না পাত্রপাত্রীর অভিভাবকরা, কি আছে সে গ্রামে

আর পাঁচটা গ্রামের মতই একটা গ্রাম। কিন্তু সেখানে বিবাহযোগ্য তরুণ তরুণীদের সঙ্গে বাইরের কেউ বিয়ে দিতে চান না। গ্রামের নাম শুনলেই না করে দেন তাঁরা।

একটা গ্রাম। সেখানে অনেক পরিবারের বাস। সেসব পরিবারে বিবাহযোগ্য তরুণ তরুণী তো রয়েছেনই। কিন্তু তাঁদের যখন কোথাও সম্বন্ধ দেখার চেষ্টা হয়, তখনই হয় সমস্যা।

এ গ্রামে পাত্র হোক বা পাত্রী, কারও অভিভাবকই বিয়ে দিতে চান না। গ্রামের নাম শুনলেই পিছিয়ে আসেন। তবে কি এ গ্রামের সঙ্গে কোনও অভিশাপ জড়িয়ে আছে? কোনও ভৌতিক কারণ? নাকি অন্য কিছু?

কারণটা কিন্তু সে ধরনের কোনও বিষয়ে নয়। নিছক রাস্তা হল কারণ। এ গ্রামের বেহাল সড়ক। বেহাল এতটাই যে এ গ্রামে ঢোকা বা বার হওয়া একটা চ্যালেঞ্জ।

মনে হতেই পারে বর্ষায় অনেক রাস্তা খারাপ হয়। এ গ্রামের ক্ষেত্রে তেমনটা নয়। এখানে গ্রামে আসাযাওয়ার রাস্তা বহুবছর ধরেই খারাপ অবস্থায় রয়েছে।

এতটাই খারাপ যে গাড়ি দূরে থাক পায়ে হেঁটেও এ রাস্তা পার করা একটা দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করার চেয়েও ভয়ংকর। যে কোনও সময় আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

এ গ্রামে বিয়ে করতে আসাটাই একটা বড় ব্যাপার। ওই রাস্তা পার করে গ্রামে বিয়ে করতে আসার কথা তাই কেউ ভাবতে পারেননা। এ গ্রামের বাসিন্দাদের দূরে থাকা আত্মীয়রাও আসাযাওয়া এড়িয়ে চলেন।

উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর গ্রাম নিজেই একটা কাহিনি। এমন সড়কের বেহাল দশার যাতে উন্নতি হয় সেজন্য অনেক চেষ্টা করেছেন গ্রামবাসীরা। বহুবছর ধরেই আর্জি, আবেদন জানিয়েছেন। অনশন করে দাবি আদায়ের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু পথের হাল বদলায়নি। মির্জাপুর গ্রামে প্রবেশ করা বাইরের কারও কাছে একটা মস্ত চ্যালেঞ্জ।

Show Full Article