National

বিজয় সাম্রাজ্যে বিনামূল্যে রাজ্যবাসীকে শাড়ি, ধুতি প্রদান, বাড়ছে রংয়ের বাহার, উন্নত হচ্ছে মান

বিজয় যুগের শুরুতেই রাজ্যবাসীকে বিনামূল্যে শাড়ি ও ধুতি প্রদান পরিকল্পনা ঢেলে সাজানো হচ্ছে। ধুতি ও শাড়ির গুণগত মান বাড়ছে। আর রংয়ে রঙিনও হচ্ছে।

নতুন পদক্ষেপ নয়। বছরে একবার রাজ্যের মানুষকে শাড়ি ও ধুতি প্রদান বেশ কয়েক বছর ধরেই চলে আসছে। পোঙ্গল উৎসবকে কেন্দ্র করে তামিলনাড়ুতে এই পরম্পরা আগের সরকারও চালিয়েছে।

তবে এখন দক্ষিণের এই রাজ্যের শাসনভার গিয়েছে থালাপতি বিজয়ের হাতে। একাধারে সুপারস্টার এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রাজ্যবাসীর জন্য ২০২৭ সালের পোঙ্গল উৎসবে বিনামূল্যে শাড়ি ও ধুতি বিতরণ নিয়ে তোড়জোড় শুরু করে দিলেন।

যে ধুতি এতদিন দেওয়া হত তার মান আরও ভাল করা হচ্ছে। বাড়ানো হচ্ছে সুতির মাত্রা। শাড়িতেও একই পদক্ষেপের পথে হেঁটেছে বিজয় সরকার। মহিলারা যাতে শাড়িগুলি গরমেও পরতে পারেন, যাতে গরমে শাড়ি পরে তাঁদের কষ্ট না হয়, সেকথা মাথায় রেখে শাড়িতেও সুতির মাত্রা বাড়ানো হচ্ছে।

ধুতি ও শাড়িতে রংয়ের ছোঁয়াও বাড়ছে। শাড়ির ক্ষেত্রে এতদিন হালকা নীল, গোলাপি ও আইভরি সাদা রংয়ের পলিয়েস্টার পাড় থাকত। এখন তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে রূপোলী, তামাটে ও সবুজ রংয়ের পাড়। লম্বায় ৫.৫ মিটার ও চওড়ায় ৪৫ ইঞ্চিই থাকছে শাড়ির মাপ। শাড়ির ডিজাইনেও নতুনত্ব আনা হচ্ছে।

ধুতির ক্ষেত্রেও বৈচিত্র্য বাড়ছে। শাড়ির মত ধুতিতেও যেমন সুতির মাত্রা বাড়ছে, তেমনই থাকছে নানা রংয়ের পলিয়েস্টার পাড়। লম্বায় ২ মিটার এবং চওড়ায় ৫০ ইঞ্চি মাপের ধুতিগুলি এই প্রথম একবার কেচে তারপর প্রদান করা হবে।

পোঙ্গল উৎসব পালিত হয় প্রতিবছর জানুয়ারি মাসে। সে সময় তামিলনাড়ু সরকার উপহার স্বরূপ মহিলাদের শাড়ি ও পুরুষদের ধুতি প্রদান করে থাকে। ২০২৭ সালের পোঙ্গলে যাতে রংবাহারি ও উন্নত মানের শাড়ি ও ধুতি প্রদান করা যায় তার আয়োজনে ত্রুটি রাখছে না তামিলনাড়ুর নতুন সরকার।

এই উদ্যোগে রাজ্যের বয়নশিল্পীরাও উপকৃত হবেন। এই বিপুল সংখ্যক শাড়ি ও ধুতি তৈরির বরাত তাঁদের শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা এবং মুনাফার মুখ দেখার পথ খুলে দেবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article