৩০০ বিলাসবহুল হোটেলে রাত কাটিয়ে ভাড়া দেয়নি, অবশেষে ধরা পড়ল বৃদ্ধ ঠগ
তার বয়স এখন ৬৯ বছর। গত ৩৬ বছরে দেশের ৩০০টির ওপর বিলাসবহুল হোটেলে দিনের পর দিন কাটিয়ে ভাড়া না দিয়ে চম্পট দিয়ে এসেছে এই ব্যক্তি।
নিজেকে চার্লস শোভরাজের শিষ্য বলে মনে করে সে। সেখান থেকেই বিলাসবহুল হোটেলে থেকে সেখানকার বিল না মিটিয়ে পালানোর প্রবণতা তৈরি হয়।
গত ৩৬ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় হাজির হয়েছে সে। তারপর সেখানকার একটি বিলাসবহুল হোটেলকে বেছে নিয়েছে। সেখানে ঘর নিয়েছে। সেই ঘরে দিনের পর দিন কাটিয়েছে।
হোটেলের অতিথি হিসাবে অন্য যাবতীয় সুবিধাও ভোগ করেছে। তারপর এক টাকাও ভাড়া না দিয়ে চম্পট দিয়েছে। এটা তার একটা শখে পরিণত হয়েছিল। এভাবেই ৩৬ বছর ধরে চালিয়েও ধরা পড়েনি এই হোটেল ঠগ।
রায়পুরের একটি হোটেলে এভাবেই টাকা না দিয়ে পালিয়ে যায় বিংসন জন নামে ওই ব্যক্তি। হোটেলের তরফে পুলিশে খবরও দেওয়া হয়। পুলিশ তদন্তে নেমে অবশেষে ভুবনেশ্বর থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ৩৬ বছর ধরে ৩০০-র ওপর হোটেলে ভাড়া না দেওয়া বিংসন তার ৬৯ বছর বয়সে এসে শেষরক্ষা করতে পারেনি।
কখনও ইংরাজি শিক্ষক তো কখনও ট্যুর গাইড, এমন নানা পরিচয়ে বিংসন হোটেলের ঘর ভাড়া নিত। তারপর কয়েকদিন সেখানে থেকে রাতারাতি পালিয়ে যেত। তার আর খোঁজ পাওয়া যেত না। তার ফোন নম্বরও কাজ করত না।
১৯৯০ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন হোটেলে কাটিয়ে ভাড়া না মিটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে ওই বৃদ্ধ। এটাও জানিয়েছে সে কুখ্যাত অপরাধী চার্লস শোভরাজের ভক্ত।













