জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে এল নিনোকে হারিয়ে দিল বর্ষা, অনেকটা কমল ঘাটতি
গত জুন মাসে প্রায় ৪৩ শতাংশ কম বৃষ্টি নিয়ে কার্যত মাথায় হাত পড়েছিল দেশবাসীর। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ অবশ্য সেই ঘাটতি উল্লেখযোগ্য ভাবে কমিয়ে দিল।
মাত্র ৭ দিনে চিত্র বদল। এল নিনো-র প্রভাব বিস্তার, বর্ষার অতি ধীর প্রবেশ, বৃষ্টি ঘাটতি মিলিয়ে গত জুন মাসে আবহবিদরা রীতিমত আশঙ্কায় ভুগছিলেন। দেশজুড়ে জুনে বৃষ্টি ঘাটতি ছিল প্রায় ৪৩ শতাংশ। এই অবস্থায় খরিফ শস্যের কি হবে তা নিয়ে কৃষকরাও প্রমাদ গুনতে শুরু করেছিলেন।
কিন্তু সব আশঙ্কায় জল ঢেলে জুলাইয়ের শুরুতেই নামল বৃষ্টি। ক্রমে এল নিনো প্রভাব বাড়াচ্ছে। কিন্তু তাকে হারিয়ে দিয়ে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে দেশজুড়ে স্বাভাবিক নয়, স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হল।
যা সার্বিক পরিস্থিতিকেই মাত্র ৭ দিনে বদলে দিয়েছে। এখন দেশে বর্ষা ঘাটতি নেমে এসেছে ১২ শতাংশে। মাত্র ৭ দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে অতিবৃষ্টি হয়েছে তার প্রভাব সার্বিক হিসাবে প্রভাব ফেলে দিয়েছে।
অনেক ধীরে ঢুকেছে বর্ষা। নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে মধ্য, পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিমের অনেক রাজ্যে বর্ষা প্রবেশ করেছে। তবে বর্ষা প্রবেশের পর এখন কিন্তু দ্রুত বর্ষার মানচিত্র বদলাচ্ছে।
মহারাষ্ট্র থেকে গুজরাট, অসম থেকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তরাখণ্ড এবং নানা রাজ্যে গত কয়েকদিনে যথেষ্ট বৃষ্টি হয়েছে। মহারাষ্ট্রে বানভাসি পরিস্থিতি তৈরি হয়। অসমে বন্যা হয়।
অরুণাচল প্রদেশে অতিবৃষ্টিতে পরিস্থিতি ঘোরাল আকার নেয়। উত্তরাখণ্ডে পরিস্থিতি অনেক জায়গায় রীতিমত ভয়ংকর। বর্ষার এই প্রবণতা যদি বজায় থাকে তাহলে এল নিনো-র প্রভাব সেভাবে নজর কাড়তে পারবেনা।
আবহবিদেরা মনে করছেন জুলাই ও অগাস্টে এল নিনো সেভাবে তার প্রভাব বিস্তার করতে পারবেনা। সেক্ষেত্রে বৃষ্টি হতেই পারে। এমনকি এল নিনো তেমন শক্তিশালী না হলে তার প্রভাব নাও পড়তে পারে বর্ষায়। জুলাইতে ভাল বৃষ্টির দিকেই চেয়ে আছে গোটা দেশ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













