প্রবল বৃষ্টিতে বানভাসি প্রতিবেশি রাজ্য, জলের তলায় শতাধিক গ্রাম, বিপর্যস্ত রেল ব্রিজ
জল বেড়েই চলেছে। ইতিমধ্যেই শতাধিক গ্রাম জলের তলায়। বন্যার কবলে ২২ হাজার মানুষ। রেল সেতুর ধারে ভাঙছে নদীর চর।
অতি বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত পড়শি রাজ্যের ৬ জেলার জনজীবন। ক্রমশ বন্যার জল বাড়ছে। বৃষ্টি হয়েই চলেছে। যার জেরে ইতিমধ্যেই জলের তলায় শতাধিক গ্রাম। ২২ হাজারের ওপর মানুষ আতান্তরে পড়েছেন। প্রায় ৫০ হাজার গবাদি পশু বন্যায় বিপর্যস্ত।
এমনই পরিস্থিতি অসমের ধেমাজি, নলবাড়ি, ডিব্রুগড়, চিরাং, লখিমপুর ও কোকরাঝড়ের। দিসাং নদী বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। পরিস্থিতি আরও ঘোরাল করেছে অরুণাচল প্রদেশে প্রবল বৃষ্টি।
১ হাজার ৬৯০ হেক্টর কৃষি জমি ইতিমধ্যেই জলের তলায়। বৃষ্টি যেভাবে হচ্ছে তাতে তা আরও বাড়বে। প্রচুর ফসল নষ্ট হয়েছে। যার জেরে বহু কৃষক চরম ক্ষতির শিকার হয়েছেন।
ধেমাজিতে সিমেন নদীর ওপর একটি রেল ব্রিজের বেশ কিছুটা অংশ ভাঙনের কবলে পড়েছে। ফলে সেখানে ট্রেন চলাচল বন্ধ। সেতুটির গা ঘেঁষে থাকা নদীর চর প্রবল বৃষ্টিতে ভাঙতে শুরু করার পরই হয় এই বিপত্তি। আপাতত আর্চিপাথার ও সিমেন চাপারি এলাকার মাঝে ট্রেন চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়েছে।
অসমে এবার বর্ষায় প্রথম বন্যা দেখতে পাওয়া গেল। প্রবল বৃষ্টিতে অবশ্য বিরাম নেই। যেখানে এবার দেশজুড়ে বৃষ্টি ঘাটতিই পূর্বাভাস, যেখানে এক অন্যতম শুকনো জুন মাস কাটিয়েছে ভারত, সেখানে কার্যতই অসমের বন্যা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তবে অসম কিন্তু তার চেনা বৃষ্টির কবলেই বর্ষা কাটাচ্ছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













