মাটি খুঁড়ে পেলেন বড় হিরের টুকরো, রাতারাতি বদলে গেল কৃষকের ভাগ্য
রূপকথার গল্পে দরিদ্র কৃষকের গুপ্তধন প্রাপ্তির কাহিনি অনেককেই আনন্দ দিয়েছে। কিন্তু সেটা যখন বাস্তবে হয় তখন বাস্তবেই রাতারাতি বদলে যায় কৃষকের ভাগ্য।
৮ বাই ৮ মিটারের একটা জমি। খুব বড় কিছু নয়। সেখানেই গত এপ্রিল মাস থেকে মাটি খোঁড়া শুরু করেছিলেন তিনি। মাটি, কাদামাটি কাটতে কাটতে খুব বেশি গভীরে ঢুকতে হয়নি।
অগভীর খনিতেই তিনি পেয়ে গেলেন অমূল্য রতন! রাকেশ গোন্দ হাতে পান একটি হিরের টুকরো। মাটির মধ্যে থেকে তাঁর হাতে উঠে আসার পর সে হিরে চিনতে ভুল করেননি রাকেশ।
তিনি মাটি খুঁড়ে হিরের টুকরো পেয়েছেন। এটা তাঁকে এতটাই আনন্দিত করে যে তিনি দ্রুত সেটা নিয়ে হাজির হন বাড়িতে। সকলকে দেখান তিনি কি হাতে পেয়েছেন। ছবিও তোলেন। তারপর সেই হিরের খণ্ড নিয়ে হাজির হন পান্নার গভর্নমেন্ট ডায়মন্ড অফিসে। নিয়ম অনুযায়ী তা জমা করে দেন।
বিশেষজ্ঞেরা সেই হিরের টুকরো দেখার পর জানান, গুণগত মানে সে হিরে খুবই ভাল। সেটির আকারও দারুণ। ১১.১৯ ক্যারেটের এই হিরেটি নিলাম করা হলে ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাম উঠতে পারে। সরকার এই হিরে নিলাম করবে। তারপর যে অর্থ পাওয়া যাবে তার একটা অংশ পাবেন রাকেশ।
মধ্যপ্রদেশের পান্নার বাসিন্দা রাকেশ গোন্দের যে রাতারাতি ভাগ্য খুলেছে তা মেনে নিচ্ছেন সকলেই। কারণ হিরে বেচার পর তিনি যে অংশটি পাবেন তা নেহাত কম টাকা নয়। যা দিয়ে গোন্দ পরিবার কৃষি জমি কেনা, ঋণ শোধ করা, বাড়ি মেরামতি করা এবং ছোটদের পড়াশোনায় খরচ করার পরিকল্পনা করেছে।
প্রসঙ্গত পান্নার মাটি হিরের জন্য বিখ্যাত। সেখানে অনেকে সরকারের কাছ থেকে এখানকার জমির টুকরো লিজ নিয়ে সেখানে খোঁড়াখুঁড়ি করে দেখেন হিরে পান কিনা। যদি পান তাহলে রাকেশের মতই ভাগ্য বদলে যায়। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













