গভীর সমুদ্রে অ্যাম্বুলেন্স চাইছেন মৎস্যজীবীদের একাংশ, কারণ পরিস্কার
দেশের প্রায় ১৬৩ কিলোমিটার উপকূল ধরে বাস করা মৎস্যজীবীরা এবার অ্যাম্বুলেন্সের দাবি তুললেন। স্থলে নয়, গভীর সমুদ্রে অ্যাম্বুলেন্স চাইলেন তাঁরা। কারণও ব্যাখ্যা করলেন।
ভারতের ১৬৩ কিলোমিটার উপকূল জুড়ে থাকা মৎস্যজীবীরা এক বিশেষ দাবিতে সোচ্চার। তাঁরা যখন মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে ভেসে পড়েন তখন তাঁদের সমুদ্র তীর থেকে অনেক দূরে গভীর সমুদ্রে চলে যেতে হয়। ভাল মাছ পাওয়ার আশায় তাঁদের গভীর সমুদ্রে যেতেই হয়।
সেখানে অনেক সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন মৎস্যজীবীরা। অনেকের হৃদরোগের সমস্যা হয়। কারও শ্বাসজনিত সমস্যা হয়। অনেকসময় মৎস্যজীবীরা কোনও দুর্ঘটনার কবলেও পড়েন।
কারও তখনই চিকিৎসার প্রয়োজন পড়লে মৎস্যজীবীরা তাঁদের মাছ ধরার ট্রলারের মুখ ঘুরিয়ে স্থলভাগে ফেরার চেষ্টা করেন। যা করতে অনেক ঘণ্টা লেগে যায়।
তীরে পৌঁছে অনেকসময়ই সঠিক সময়ে চিকিৎসা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন রোগীরা। কিন্তু গভীর সমুদ্র থেকে এমন অসুস্থদের দ্রুত স্থলভাগে এনে চিকিৎসা শুরু করার দিকটি যদি নিশ্চিত করা যায় তাহলে মৎস্যজীবীদের জীবন আরও সুরক্ষিত হয়। এজন্য তাঁরা সমুদ্র অ্যাম্বুলেন্সের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন।
তামিলনাড়ুর টুথুকুড়ি জেলার মৎস্যজীবীরা সি অ্যাম্বুলেন্সের দাবি তুলেছেন। এখানকার ১৬৩ কিলোমিটার উপকূল জুড়ে রয়েছে ২১টি মৎস্যজীবীদের গ্রাম। যেখান থেকে বহু মৎস্যজীবী সমুদ্রে ভেসে পড়েন মাছ ধরার জন্য।
দিনের পর দিন তাঁরা সমুদ্রে কাটান ভাল পরিমাণ মাছের আশায়। এই দীর্ঘসময় সমুদ্রে থাকার সময় কেউ অসুস্থ হলে যাতে তাঁর দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব হয় সেজনই সি অ্যাম্বুলেন্সের দাবি তুলেছেন তাঁরা। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা












