চুরি করতে ঢুকে ফাঁকা বাড়িতে অন্য ইচ্ছা চোরের, ৭ দিন থেকে গেল সেখানে
চোর কোনও বাড়িতে চুরি করতে ঢুকলে দ্রুত মূল্যবান জিনিস নিয়ে চম্পট দেয়। এ চোর একেবারেই সে রাস্তায় হাঁটল না। বরং ৭ দিন থেকে গেল সে বাড়িতে।
বাড়িটা যে ফাঁকা আছে তা জানত সে। তাই ফাঁকা বাড়িতে সকলের নজর এড়িয়ে সে ঢুকে পড়ে। উদ্দেশ্য ছিল বাড়িতে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র হাতিয়ে চম্পট দেবে।
এক আইনজীবীর বাড়ি সেটি। সেখানে চুরি করার জন্য অনেক কিছু ছিলও। কিন্তু বাড়িতে কিছুক্ষণ কাটানোর পর চোরের ইচ্ছায় বদল আসে। সে স্থির করে চুরি সে করবে ঠিকই। তবে ধীরেসুস্থে। এ বাড়িতে থেকে চুরি করবে সে।
ইচ্ছাকে মান্যতা দিয়ে চুরি করতে আসা বাড়িতে থেকে যায় চোর। এমন করে ৭ দিন কাটায় ওই বাড়িতে। আরাম করে সেখানে থাকার পাশাপাশি সে চুরির কাজও চালিয়ে যায়। তবে বিন্দুমাত্র তাড়াহুড়ো না করে।
সমস্যা হয় ওই বাড়ির মালিকের ছেলে তার বন্ধুকে নিয়ে ফাঁকা বাড়িতে হাজির হওয়ায়। তিনি সেখানে পৌঁছে দেখেন বাড়ির সামনের ও পিছনের দরজা ভাঙা। এটাও তাঁর মনে হয় যে বাড়ির ভিতরে কেউ রয়েছে।
তখনকার মত কাউকে কিছু না বলে তাঁরা দ্রুত পুলিশে খবর দেন। খবর দেওয়া হয় প্রতিবেশিদেরও। সকলেই কিছুক্ষণের মধ্যে বাড়ির সামনে ভিড় জমান। হাজির হন স্থানীয় কাউন্সিলরও।
পুলিশ এসে বাড়ি তন্নতন্ন করে খুঁজে একটি খাটের তলা থেকে চোরকে পাকড়াও করে। ঘটনাটি ঘটেছে কেরালার ত্রিশূরে। চোর অবশ্য কেরালার বাসিন্দা নয়। অসমের বাসিন্দা। কেরালায় এসেছিল পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে।











