National

কুনোর জঙ্গলে আলো দেখল ৪ চিতা, দাপটের সঙ্গে ছুঁয়ে ফেলল ৫৬

ফের ভারতের মাটি পেল নতুন অতিথি। কুনোর জঙ্গলে অচেনা গাছগাছালি প্রকৃতি আপন করে নিল ৪ নবজাতককে। যা পৌঁছে দিল ৫৬-তে।

মায়ের নাম কেজিপি ১২। একটু অন্যরকম শোনাচ্ছে কি? হতে পারে। তবে চিতা শূন্য দেশে চিতার বাড়বাড়ন্তে এখন সরকারিভাবে চিতাদের এভাবেই চিহ্নিত করা হচ্ছে।

কেজিপি ১২ জন্মেছে ২০২৪ সালে। তার মা গামিনী ভারতেই তার জন্ম দেয়। কেজিপি ১২ এক স্ত্রী চিতা। যে নিজে এবার মা হল। জন্ম দিয়েছে ৪ সন্তানের।

কয়েকদিন আগে শেষবার গোনা হয়েছে ভারতে চিতার সংখ্যা। তাতে ৫২টি চিতা ছিল তালিকায়। এবার তা বেড়ে হল ৫৬। অবশ্যই প্রোজেক্ট চিতার জন্য এ এক অন্যতম সাফল্য।

২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে ভারতে শুরু হয় প্রোজেক্ট চিতা। আফ্রিকা থেকে চিতা আনা হয় ভারতে। ছাড়া হয় মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে।

একদম অন্য দেশ। অন্য পরিবেশ। তাতেও কিন্তু ক্রমে মানিয়ে নিতে থাকে আফ্রিকার চিতারা। যা ভারতে চিতার অস্তিত্বকে সমৃদ্ধ করতে থাকে।

কেন্দ্রীয় বনমন্ত্রী ভূপিন্দর যাদব ৪ নবজাতকের কুনোর জঙ্গলে ভূমিষ্ঠ হওয়াকে এক অত্যন্ত আনন্দঘন মুহুর্ত বলে ব্যাখ্যা করেছেন। এদেশে যত চিতার জন্ম হবে, তারা এখানে নিশ্চিন্তে বড় হয়ে উঠবে ততই প্রোজেক্ট চিতা সফল হবে।

মাত্র ৪ বছরে এই প্রকল্পের হাত ধরে চিতা শূন্য ভারতে এখন ৫৬টি চিতার বাস। চিতা সংরক্ষণ ও দেশের মাটিতে তাদের বেড়ে ওঠার পরিবেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে এটা বড় পাওয়া।

প্রসঙ্গত ভারতে চিতার পাদচারণা শুরু হয় নামিবিয়া থেকে আনা চিতা দিয়ে। পরে ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ২০২৬ সালে বোতসোয়ানা থেকে চিতা আনা হয় ভারতে। আবার ভারতে আসা চিতারাও সন্তানের জন্ম দিতে থাকে। দুয়ে মিলে চিতার সংখ্যা বাড়ছে দেশে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article