এক তকমায় বদলে গেল শতবর্ষ পার করা শিল্পের ভবিষ্যৎ, বিদেশেও তুঙ্গে উঠল চাহিদা
তার কদর যে একেবারেই ছিলনা এমনটা নয়। দেশে তার একটা চাহিদা ছিল। কিন্তু শিল্পীর মুখে হাসি ফোটানো চাহিদা এবার দেখছে শতবর্ষ পার করা গোলাপি মিনাকারী।
ভারতের শিল্পের বৈচিত্র্য বিশ্ববাসীর কাছে অজানা নয়। ভারতীয় শিল্পের কদর সর্বত্র। ভারতে তো বটেই, ভারতের বাইরেও নানা শিল্পের চাহিদা রয়েছে। ভারতের কোণায় কোণায় যেমন নানাধরনের শিল্প ছড়িয়ে আছে, তেমনই ছড়িয়ে আছেন শিল্পীরা।
এমনই এক শতবর্ষ পার করা শিল্প হল গোলাপি মিনাকারী। দেশের অন্যতম প্রাচীন পবিত্র শহর কাশীর বিখ্যাত এই গোলাপি মিনাকারী শিল্প শতবর্ষ প্রাচীন।
দেশে তার চাহিদা থাকলেও তার অর্থকরী দিকটি এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের মন ভাল করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিলনা। কিন্তু একটা তকমা এই শিল্পের ভবিষ্যৎ বদলে দিয়েছে।
জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা জিআই ট্যাগ পাওয়ার পর থেকে কাশীর এই প্রাচীন শিল্পের চাহিদা তরতর করে বাড়ছে। দেশে তো বটেই, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি থেকে আমেরিকা, সব জায়গা থেকেই গোলাপি মিনাকারীর নানা কাজ কেনার আগ্রহ সামনে আসছে।
এমনকি বারাণসীর গোলাপি মিনাকারীর শিল্পীরা এমনও বিদেশ থেকে অর্ডার পাচ্ছেন যেখানে তাঁদের কিছু বিশেষ ডিজাইনের কথা বলে দিচ্ছেন ক্রেতারা। চাইছেন সেই ডিজাইনকে গোলাপি মিনাকারীর পারম্পরিক শিল্প চেতনার সঙ্গে জুড়ে তাঁদের জন্য গয়না থেকে অন্যান্য জিনিস তৈরি করিয়ে নিতে। চাহিদা মত সেই যোগানও দিচ্ছেন শিল্পীরা।
এই প্রাচীন শিল্প শিল্পীদের জন্য বিদেশের বাজার খুলে দিয়েছে। আবার দেশেও এর চাহিদা অনেক বেড়ে গিয়েছে। সব মিলিয়ে তাঁদের ভাগ্যও খুলেছে, আর এই প্রাচীন শিল্পও তার বাঁচার রসদ খুঁজে পেয়েছে। একটা জিআই ট্যাগ প্রাপ্তি গোলাপি মিনাকারী শিল্পকে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আলো দেখিয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













