SciTech

মহাকাশে নতুন বিস্ময়ের দেখা পেলেন বিজ্ঞানীরা, হল লাল বিন্দুর রহস্যভেদ

মহাকাশে এখনও যে কত কিছু অজানা তা এক একটি নতুন আবিষ্কার থেকে পরিস্কার। এবার বিজ্ঞানীরা এমন বিস্ময়ের দেখা পেলেন যার কথা কেউ জানত না।

মহাকাশে কি আছে সবটা কি জানা গেছে? নক্ষত্রপুঞ্জ, নক্ষত্র, কৃষ্ণগহ্বর, গ্রহ, গ্রহাণু, উপগ্রহ, ধূমকেতু নিয়েই কি মহাকাশ? নাকি সেখানে আরও অনেক এমন কিছু ভেসে বেড়াচ্ছে যা অজানা?

উত্তরটা বোধহয় অজানা। কারণ হালেই মহাবিশ্বে এমন কিছুর দেখা পেয়েছেন ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা যা বিজ্ঞানীদের তো বটেই, সাধারণ মানুষকেও অবাক করে দিয়েছে। কারণ এমন কিছুও যে মহাকাশে রয়েছে তা আগে বিজ্ঞানীদের জানা ছিলনা।

আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ব্ল্যাকহোল স্টার বা কৃষ্ণগহ্বর নক্ষত্র। নক্ষত্র আর কৃষ্ণগহ্বরের কথা সকলের জানা। কিন্তু ২টি একসঙ্গে যে অবস্থান করতে পারে তা আগে জানা ছিলনা।

যদিও জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ যেসব গভীর মহাশূন্যের চিত্র আগে পাঠিয়েছে তাতে কিছু রহস্যময় লাল বিন্দুর দেখা পাওয়া যেত। কিন্তু সেগুলি যে কি হতে পারে সেটা এবার কিছুটা পরিস্কার হল বিজ্ঞানীদের কাছে।

বিজ্ঞানীরা মহাশূন্যে লাল বিশালাকার এক নক্ষত্রের দেখা পেয়েছেন যার মাঝখানে অবস্থান করছে একটি কৃষ্ণগহ্বর। যাকে কেন্দ্র করে নক্ষত্রটি তৈরি হয়েছে।

নক্ষত্রটিকে কোনও পারমাণবিক বিক্রিয়া শক্তি যোগায় না, শক্তি যোগায় মাঝে থাকা ওই কৃষ্ণগহ্বরের গিলে ফেলা উপাদান। কৃষ্ণগহ্বরটির চারধারে যে লাল অংশ রয়েছে সেটি ভরে আছে হাইড্রোজেন গ্যাসে। এদিকে মাঝে যে কৃষ্ণগহ্বরটি অবস্থান করছে সেটি সূর্যের চেয়ে ১ লক্ষ গুণ বড়।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এটি তৈরি হয়েছিল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের জন্মের পরই। ফলে তা প্রথম দিকের ব্রহ্মাণ্ড পরিস্থিতির অনেক কথা জানাতে পারবে বলেই মনে করছেন তাঁরা। বিশ্বের তাবড় সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর সাধারণ মানুষও বিষয়টি জানার উৎসাহ পেয়েছেন।

Show Full Article
nilkantho.in App