একসময় মহিলাদের সৌন্দর্যের রহস্য লুকিয়ে ছিল বলদের লোমে
বলদের লোমের সঙ্গে মহিলাদের সৌন্দর্যের কি সম্পর্ক তা মনে আসতেই পারে। কিন্তু সরাসরি বলদের লোমের মধ্যে একসময় মহিলাদের সৌন্দর্য লুকিয়ে ছিল।
মহিলাদের রূপচর্চার ইতিহাস অতিপ্রাচীন। হাজার হাজার বছর ধরে নারী তাঁর সৌন্দর্য রক্ষা ও সৌন্দর্য বর্ধনে নানা উপায় অবলম্বন করেছেন। ফুলের রেণু থেকে দুধে স্নান, নানা প্রলেপ থেকে বিউটি পার্লার, সময়ের সঙ্গে সবই বদলেছে।
কিন্তু লক্ষ্য একটাই রয়ে গেছে আরও রূপসী হয়ে ওঠার চেষ্টা। ধনী দরিদ্র নির্বিশেষে নারী মনে লুকিয়ে থাকা এই সৌন্দর্য বৃদ্ধির প্রচেষ্টা একসময় প্রাচীন গ্রিসে নিহিত ছিল বলদের লোমে।
প্রাচীন গ্রিসে পুরু টানাটানা চোখের পাতা ছিল নারী সৌন্দর্যের এক অন্যতম চিহ্ন। তাই চোখের পাতার সৌন্দর্য রক্ষায় প্রাচীন গ্রিসের নারী প্রচেষ্টার অন্ত রাখতেন না। সেই সময় চোখে তাঁরা বলদের লোম থেকে তৈরি একধরনের কৃত্রিম পাতা ব্যবহার করতেন।
তাতে তাঁদের চোখ আরও সুন্দর হয়ে উঠত। বলদের লোম থেকে তৈরি চোখের পাতা টানা টানা হত। পুরু হত। যা সকলের নজর কেড়ে নিত। সব নারী না হলেও যাঁদের চোখের পাতা স্বাভাবিকভাবে পুরু হতনা তাঁরা বলদের লোম ব্যবহার করে সেই খামতি পূরণ করে নিতেন।
তবে শুধুই বলদের লোম নয়, চোখের সৌন্দর্য বাড়াতে কালো সুন্দর চোখের পাতা পেতে বলদের লোমের সঙ্গে মেশানো হত একধরনের গাছের রস।
এতে ওই কৃত্রিম পাতা সুন্দর টানা টানা অবস্থায় দীর্ঘসময় থেকে যেত। গ্রিসে চোখের পাতার সৌন্দর্য বাড়াতে বলদের লোমে গাছের রস মিশিয়ে কৃত্রিম চোখের পাতার কদর মহিলা মহলে ছিল প্রশ্নাতীত।












