বাড়ির ভিত তৈরির মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এল গুপ্তধনের ঘড়া
এক সরকারি স্কুলের শিক্ষক তাঁর পৈতৃক বাড়ি ভেঙে সেখানে নতুন করে বাড়ি বানানোর জন্য ভিত খুঁড়ছিলেন। তখনই মাটির তলা থেকে বেরিয়ে আসে গুপ্তধনে ভরা ঘড়া।
কোনও গল্পের পাতা থেকে নেওয়া কাল্পনিক কাহিনি নয়। ঘোর বাস্তব। তবে ঘটনাটা একটা টানটান গল্পের চেয়ে কম নয়। এক সরকারি স্কুলের শিক্ষক স্থির করেন তাঁর পৈতৃক বাড়ি ভেঙে সেখানে একটি নতুন বাড়ি তৈরি করবেন।
সেইমত নতুন বাড়ির জন্য ভিত খোঁড়ার কাজ চলছিল। যে শ্রমিকরা কাজটি করছিলেন তাঁরা মাটি খুঁড়তে গিয়ে মাটির তলা থেকে একটি ঘড়া উদ্ধার করেন। একটি প্রাচীন মাটির ঘড়া। যা ভর্তি ছিল প্রাচীন মুদ্রায়। মুদ্রাগুলি রূপোর।
ব্রিটিশ সময়ের মুদ্রা। যা কোনও একসময় ঘড়ায় ভরে মাটির তলায় চাপা দেওয়া হয়েছিল। তারপর তার আর কোনও খোঁজ ছিলনা। এখন বাড়ি তৈরি করতে গিয়ে মাটি খুঁড়তে তার দেখা পাওয়া গেল।
ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের দামো জেলার ফুতেরা নামে জায়গায়। ওই ঘড়া উদ্ধারর পর সে খবর ছড়াতে সময় নেয়নি। সরকারি আধিকারিকরা সেখানে হাজির হয়ে সেই ঘড়া ভরা রৌপ্য মুদ্রাগুলি উদ্ধার করেন। তবে সাময়িক এক উত্তেজনাও সৃষ্টি হয়।
কারণ যে শ্রমিকরা সেখানে কাজ করছিলেন তাঁদের দাবি, ঘড়াটির দেখা পাওয়ার পরই তাঁদের কাজ থামিয়ে দেন ওই শিক্ষক। তারপর তাঁদের প্রত্যেককে ৫০০ টাকা করে দিয়ে সেখান থেকে চলে যেতে বলা হয়।
শ্রমিকদের দাবি, যে রৌপ্যমুদ্রা সরকার পেয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি রৌপ্যমুদ্রা পাওয়া গিয়েছিল। সেগুলি তারপরই সরিয়ে ফেলা হয়। পুরোটা সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি।
পাল্টা শ্রমিকদের এই দাবি উড়িয়ে ওই শিক্ষক দাবি করেছেন, তিনি তাঁর তরফ থেকে কিছু সরাননি। তবে শ্রমিকরাও ওই ঘড়া পাওয়ার পর নিজেদের মধ্যে ওই মুদ্রার একটা অংশ ভাগ করে নিয়ে নিয়েছেন।
বিষয়টি খতিয়ে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন। প্রসঙ্গত ওই জায়গা থেকে ৪২টি রৌপ্যমুদ্রা উদ্ধার করেছেন আধিকারিকরা। মুদ্রাগুলি ১৮১৫ সাল থেকে ১৯১৫ সালের মধ্যে ব্যবহার হত। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











