National

হেঁটে পাহাড়ে চড়লেন ১১৬ বছরের বৃদ্ধা, পৌঁছলেন তিরুপতি মন্দিরে, হল ভিআইপি দর্শন

১১৬ বছর বয়সেও যে হেঁটে পাহাড়ে চড়া যায় তা গোটা বিশ্বকে দেখিয়ে দিলেন এক বৃদ্ধা। তাঁর জন্য ভিআইপি দর্শনের ব্যবস্থা হল তিরুপতি মন্দিরে। পেলেন সম্মানও।

১১৬ বছর বয়স পর্যন্ত পৃথিবীর নগণ্য সংখ্যক মানুষ জীবিত থাকেন। যদিওবা কেউ বেঁচে থাকেন তাহলেও তাঁরা বাড়িতে অত্যন্ত যত্নের মধ্যে বসবাস করেন। কিন্তু সেসব নবনীতাম্মা-র জন্য প্রযোজ্য নয়।

তামিলনাড়ু বাসিন্দা এই অতি বৃদ্ধার বয়স এখন ১১৬ বছর। কিন্তু বয়সকে কেবল একটি নম্বরে পরিণত করে তিনি পায়ে হেঁটে পৌঁছলেন পাহাড়ের ওপর তিরুপতি মন্দিরে।

আলিপিরি ফুটপাথ ধরে তিনি চড়লেন পাহাড়ে। ভাঙলেন শেষাচলম পাহাড়ের ৩ হাজার ৫৫০টি সিঁড়ি। আর এভাবেই পায়ে হেঁটে পৌঁছলেন তিরুপতি মন্দিরে অধিষ্ঠিত ভগবান শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর স্বামীকে দর্শন করতে। পুজো দিতে।

১১৬ বছর বয়সে পায়ে হেঁটে পাহাড়ে চড়ে তিরুপতি মন্দিরে পৌঁছনো নবনীতাম্মাকে অবশ্য কোনও লাইনে দাঁড়াতে হয়নি। তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম-এর পক্ষ থেকে তাঁর ও তাঁর পরিবারের জন্য বিশেষ ভিআইপি দর্শনের ব্যবস্থা করা হয়।

নবনীতাম্মাকে বিগ্রহের সামনে নিয়ে গিয়ে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্যে দিয়ে পুজো দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তাঁকে পরিয়ে দেওয়া হয় বিশেষ সিল্কের উত্তরীয়। হাতে তুলে দেওয়া হয় ভগবান শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর স্বামীর প্রসাদ।

ভগবান শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর স্বামীকে দর্শন করতে তিরুপতি মন্দিরে পায়ে হেঁটে ১১৬ বছরের নবনীতাম্মার এগিয়ে চলার ছবি সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু পর্যন্ত সমাজ মাধ্যমে জানিয়েছেন এটা দেখে তিনি বিস্ময়াভিভূত।

ঈশ্বর দর্শনের অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে ভর করে নবনীতাম্মার পায়ে হেঁটে এই পাহাড়ে চড়া গোটা বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article