Entertainment

অন্য সলমন খানের নতুন কীর্তি, কেরামতি দেখাতে গিয়ে বিপাকে নকল ভাইজান

বলিউড সুপারস্টার সলমন খান তিনি নন। তবে তিনি অনেকের নজরে সলমন খান ছাড়া কিছুই নন। এই অন্য ভাইজান এবার কেরামতি দেখা গিয়ে পড়লেন বিপদে।

তলা দিয়ে বয়ে গেছে নদী। ওপরে রেল চলাচলের জন্য ব্রিজ। ব্রিজের বুক চিরে চলে গেছে রেল লাইন। সেখানেই কি দেখা মিলল সলমন খানের? দেখে মনে হতেই পারে সলমন খান। অনেকেই এই ভুলটা করে থাকেন। আর সেটাই এই নকল ভাইজানের জনপ্রিয়তার চাবিকাঠি।

নিজের এই সলমন খান সুলভ চেহারা ও মুখকে হাতিয়ার করে এর আগেও সমস্যা বাড়িয়েছেন আজম আনসারি। এবার সেই নকল সলমন খান একদম সলমন সেজে খালি গায়ে শুয়ে পড়লেন গোমতী নদীর ওপরে থাকা রেল ব্রিজের লাইনের ওপর।

শুধু কি তাই! লাইনের ওপর দিয়ে কসরত দেখিয়ে সিগারেটের ধোঁয়া উড়িয়ে হেঁটেও দেখান তিনি। যা দিয়ে তৈরি হয় একটি রিল। সেই রিল সোশ্যাল মিডিয়ায় আবার ছড়িয়ে দেন অন্য একজন। রিলটি হুহু করে ছড়াতে থাকে। যা নজর কাড়ে রেল কর্তৃপক্ষেরও। আর তা দেখামাত্র তারা পুলিশে এফআইআর দায়ের করে।

লখনউয়ের দালিগঞ্জ এলাকায় হওয়া এই ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়া থেকে রিল উধাও হয়ে যায়। কিন্তু ততক্ষণে নকল ভাইজান যা সমস্যায় পড়ার পড়ে গেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ৩টি ধারায় মামলা করেছে রেল।

বেআইনিভাবে রেলের অংশে ঢুকে পড়া, রেললাইনের ওপর উপদ্রব করা এবং ট্রেনে ধূমপানের মামলা হয়েছে আজম আনসারির বিরুদ্ধে। এর আগেও তাঁকে সলমন খান ভেবে তাঁর তৈরি একটি রিলের শ্যুটিংয়ের সময় লখনউয়ের ক্লক টাওয়ার চত্বরে এত ভিড় জমে যায় যে আজমকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এবারও তাঁকে গ্রেফতার করার উদ্যোগ শুরু করেছে পুলিশ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show More

News Desk

নীলকণ্ঠে যে খবর প্রতিদিন পরিবেশন করা হচ্ছে তা একটি সম্মিলিত কর্মযজ্ঞ। পাঠক পাঠিকার কাছে সঠিক ও তথ্যপূর্ণ খবর পৌঁছে দেওয়ার দায়বদ্ধতা থেকে নীলকণ্ঠের একাধিক বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করছেন। সেই খবর নিউজ ডেস্কে কর্মরতরা ভাষা দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন। খবরটিকে সুপাঠ্য করে তুলছেন তাঁরা। রাস্তায় ঘুরে স্পট থেকে ছবি তুলে আনছেন চিত্রগ্রাহকরা। সেই ছবি প্রাসঙ্গিক খবরের সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে। যা নিখুঁতভাবে পরিবেশিত হচ্ছে ফোটো এডিটিং বিভাগে কর্মরত ফোটো এডিটরদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে। নীলকণ্ঠ.in-এর খবর, আর্টিকেল ও ছবি সংস্থার প্রধান সম্পাদক কামাখ্যাপ্রসাদ লাহার দ্বারা নিখুঁত ভাবে যাচাই করবার পরই প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button