কলকাতার বড় প্রাপ্তি, প্রতিভাদের সুযোগ দিতে অব্যর্থ লক্ষ্যভেদ
কলকাতার মুকুটে জুড়ল আরও একটি পালক। এক বড় প্রাপ্তি হল এই শহরের। নিশানা ভেদে প্রতিভাদের খুঁজে আনতে উপহার দিল পূর্ব রেল।
কলকাতার ক্রীড়া ইতিহাস সুদীর্ঘ। কলকাতার ফুটবল যেমন বিশ্বখ্যাত, তেমনই কলকাতাই দেশকে উপহার দিয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মত প্রতিভা। আবার তিরন্দাজী বললেই দোলা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফল্যের কথা সামনে এসেই পড়ে।
বাংলা চিরকালই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী। সমস্যা এখানে ক্রীড়া প্রতিভার নয়, বরং পরিকাঠামোর। সঠিক পরিকাঠামোর অভাবে অনেক উজ্জ্বল প্রতিভাই অচিরে শেষ হয়ে যান।
তাঁদের খবর কেউ রাখেন না। কিন্তু পরিকাঠামো দিতে পারলে এঁরাই দেশকে বিশ্বমঞ্চে একের পর এক সম্মান এনে দিতে পারেন। সেই পরিকাঠামো ক্ষেত্রে এক বড় প্রাপ্তি হল কলকাতার।
বেহালায় রয়েছে ঘোলশাপুর রেলওয়ে কলোনি। পূর্ব রেলের এই রেল কলোনি কিন্তু এ রাজ্যের ক্রীড়াবিদদের কাছে পরিচিত নাম। কারণ এখানে রয়েছে একটি স্টেডিয়াম, একটি উন্নত মানের স্পোর্টস কমপ্লেক্স এবং একটি অলিম্পিকে যে আকারের সুইমিং পুলের দরকার পড়ে সেই সুইমিং পুল।
যেখানে রেলে কর্মরত ক্রীড়াবিদ, রেলে কর্মরত কর্মীদের সন্তানরা ছাড়াও অনুশীলনের সুযোগ পান রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিভারা। অনুশীলন ছাড়া কোনও প্রতিভাই ঝলমলে হয়না। সাফল্য পায়না। এবার তিরন্দাজীতেও সেই অনুশীলনের সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে পূর্ব রেল।
ঘোলশাপুর রেলওয়ে কলোনিতে এবার তৈরি হচ্ছে একটি বিশ্বমানের তিরন্দাজী অনুশীলন কেন্দ্র। যা এ রাজ্যের প্রতিভাদের নিশ্চিত লক্ষ্যভেদের লক্ষ্যে কঠোর অনুশীলনের ব্যবস্থা করে দেবে।
এই তিরন্দাজী কেন্দ্র তৈরি হয়ে গেলে এ রাজ্যের তিরন্দাজীতে উৎসাহীরা অনুশীলনের একটা সঠিক পরিকাঠামো পাবেন। যা তাঁদের ভবিষ্যৎ গড়তে সাহায্য করবে।











