সূর্যকে ঢেকে ফেলবে চাঁদ, দিনের মধ্যেই নামবে অন্ধকার, ভারত থেকে কতটা দেখা যাবে
মাত্র কয়েকটা দিন। হাতেগোনা সময়ের অপেক্ষা। তারপরই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। চাঁদ ঢেকে ফেলবে সূর্যকে। এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী কি হতে পারছেন ভারতীয়রা?
চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে এসে পড়ে এবং তারা ঋজু রেখায় বিরাজ করে তখন চাকতিতে চাকতিতে মিলে যায়। অর্থাৎ সূর্যকে সম্পূর্ণ ঢেকে ফেলে চাঁদ। অল্প সময়ের জন্যই ঘটে এই অতি বিরল মহাজাগতিক বিস্ময়।
সেই সময়টুকুর জন্য দিনের আলো যায় হারিয়ে। নেমে আসে অকাল অন্ধকার। দিনের মাঝেই সন্ধে নামে। অন্ধকার হয়ে যায় চারধার। তাপমাত্রাও হ্রাস পায়। পাখিরা আশ্চর্য হয়ে ডাকতে শুরু করে। উড়তে থাকে আকাশে।
এই সময়টুকু এক পরম প্রাপ্তি। কারণ একজীবনে এমন দৃশ্য দেখার সুযোগ ১ বারও অনেকের জীবনে আসেনা। তাই এমন সুযোগ থাকলে কেউ হাতছাড়াও করতে চান না।
যাঁদের এটা দেখার সৌভাগ্য হয়না তাঁদের অবস্থানের কারণে, তাঁরাও অনেকে যেখান থেকে দেখা যাবে সেখানে পাড়ি দেন। এমনই এক সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছেন পৃথিবীর একটা বড় অংশের মানুষ। সবাই যে পূর্ণগ্রাস দেখতে পাবেন তা নয়।
আগামী ১২ অগাস্ট সেই দিন যেদিন পৃথিবীর বহু মানুষ এই অতি বিরল দৃশ্য উপভোগ করবেন। সবচেয়ে ভাল দেখা যাবে গ্রিনল্যান্ড, উত্তর রাশিয়া, আইসল্যান্ড, স্পেন, আটলান্টিক মহাসাগর এবং পর্তুগালের একটি অংশ থেকে।
এছাড়া আরও কিছু জায়গা থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে ঠিকই, তবে সেখানে পূর্ণগ্রাস অবস্থায় দেখার সুযোগ পাবেন না মানুষ। কিছুটা হলেও বেরিয়ে থাকবে সূর্য। যা দেখা যাবে ইউরোপের অধিকাংশ জায়গা, উত্তর পশ্চিম আফ্রিকা, উত্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার কিছুটা অংশ থেকে।
এ থেকে পরিস্কার যে ভারত থেকে এই গ্রহণের পূর্ণগ্রাস বা আংশিক গ্রাস কোনও অবস্থাই দেখতে পাওয়া যাবেনা। এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য দেখার সুযোগ যাঁরা পাবেন তাঁরা তো দেখবেনই, কিন্তু খালি চোখে একেবারেই নয়।
খালি চোখে এই গ্রহণ দেখতে গেলে চোখ স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কেবলমাত্র একেবারে সঠিক সোলার গ্লাস ছাড়া কোনওভাবেই এই গ্রহণ দেখার চেষ্টা করা উচিত নয়।












