সাহারা মরুভূমির জনশূন্য বালির প্রান্তরে ছড়িয়ে আছে তিমির হাড়, যা অন্য ইতিহাস বলছে
তিমি সামুদ্রিক প্রাণি। সেই তিমির জীবাশ্মের খোঁজ পাওয়া গেল সাহারার বালিতে। যা অবাক করা হলেও বাস্তব। যা জানান দিল অন্য ইতিহাসের।
সাহারা হল পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় মরুভূমি। অসহ্য গরম। চারধারে শুধু বালি আর বালি। বহু দূর দূর পর্যন্ত মানুষের দেখা পাওয়া যায়না। সেই সাহারার বুকেই রয়েছে এক উপত্যকা। যাকে তিমি উপত্যকা বলে ডাকা হয়।
প্রসঙ্গত সাহারা মরুভূমি একাধিক দেশে ছড়িয়ে আছে। যার মধ্যে রয়েছে মিশরও। এই মিশরেই রয়েছে তিমি উপত্যকা। এক এমন ধুধু প্রান্তর যেখানে ৪০০টির মত প্রাগৈতিহাসিক যুগের তিমির জীবাশ্মের খোঁজ পাওয়া গেছে। যা বালির মধ্যে লুকিয়ে ছিল।
কিন্তু তিমি তো সামুদ্রিক প্রাণি। তা সাহারার মত মরুভূমির মাঝে এল কোথা থেকে? এর উত্তর দিতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন একটা সময় ছিল যখন সাহারা মরুভূমি ছিলনা। ছিল টেথিস সাগরের তলদেশের একটা অংশ। পরে যখন জল সরে যায় তখন তা দৃশ্যমান হয়। পরে তা সময়ের সঙ্গে মরুভূমিতেও পরিণত হয়।
মরুভূমি হলেও যখন সমুদ্র ছিল তখনকার সামুদ্রিক প্রাণিদের দেহাংশ এখনও এখানে মজুত রয়েছে। যার অনেক নিদর্শন এই তিমি উপত্যকায় পাওয়া যায়। তিমি ছাড়াও এখানে অন্য অনেক ধরনের মাছের নিদর্শন পাওয়া গেছে।
সাড়ে ৫ কোটি থেকে সাড়ে ৩ কোটি বছর আগে সমুদ্রের জলে সেসব মাছ ঘুরত। সেই সময়ের তিমির জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। যাদের চেহারা ছিল এখনকার তিমির চেয়ে কিছুটা আলাদা। সেসব তিমি এখন আর নেই। তবে সেই তিমিদের থেকেই আধুনিক তিমি এসেছে। এসেছে ডলফিন।












