এল নিনোর জন্য ভারতে খরা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, বাংলার কি হবে
বেসরকারি আবহাওয়া পূর্বাভাস সংস্থা স্কাইমেটের মতে দেশে সার্বিক বর্ষা ৮৫ শতাংশে নেমে যেতে পারে। খরা পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। তবে বাংলার জন্য অন্যই পূর্বাভাস।
অগাস্ট ও সেপ্টেম্বরে যে এল নিনো-র প্রভাবে ভারতে বর্ষা অনেকটাই কমে যাবে এমন একটা পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। কিন্তু অগাস্টে এখনও বাংলায় যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে তাতে তেমন আঁচ পাওয়া যায়নি। এমনকি অসমে বন্যা বা ওড়িশায় বন্যা সেই ইঙ্গিত দেয়নি।
কিন্তু বেসরকারি আবহাওয়া পূর্বাভাস সংস্থা স্কাইমেট তাদের নতুন একটি রিপোর্টে জানিয়েছে বর্ষা অগাস্ট ও সেপ্টেম্বরে দেশে কম হবে। বৃষ্টির ঘাটতি বড় আকার নেবে। ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত বর্ষা ঘাটতি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন জায়গায় বর্ষার ঘাটতির জেরে খরা পরিস্থিতি তৈরির সম্ভাবনা ৭০ শতাংশ রয়েছে বলেও জানিয়েছে ওই সংস্থা। বর্ষা ঘাটতি সেপ্টেম্বরে আরও বাড়বে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে তারা।
পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা এবং কর্ণাটক, এই কয়েকটি রাজ্যে বর্ষা ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। ফলে এসব রাজ্যে জমি শুকিয়ে যাওয়া, খরিফ শস্যের ক্ষতি, জলাশয় শুকিয়ে যাওয়ার মত ঘটনা বাড়তে পারে।
অন্যদিকে ভারতের অন্য প্রান্তে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এবং ছত্তিসগড়ে অগাস্টে ভাল বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে স্কাইমেট।
ফলে দেশের রাজ্যগুলির কারও ঝুলিতে প্রচুর বৃষ্টি, কারও ঝুলি বৃষ্টি শূন্য। এই খামখেয়ালি আচরণে দেশের সার্বিক বর্ষা ক্ষতিগ্রস্ত। এল নিনো সেপ্টেম্বরে কতটা প্রভাব ফেলে তার ওপর নির্ভর করছে এই বছর বর্ষার যবনিকা পতন।












