দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করলেও বর্ষামঙ্গলের মঙ্গল নিয়েই চিন্তায় আবহবিদেরা
গত ৫ বছরে এত আগে বর্ষা প্রবেশ করেনি দক্ষিণবঙ্গে। তবে বর্ষা ঢুকলেও বৃষ্টির দাপটের দেখা নেই। বর্ষার বারিধারা নিয়ে চিন্তায় আবহবিদেরা।
গত ৫ বছরে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রবেশ ঘটেছে জুনের মধ্যভাগ পার করে। এবার তা হল না। তার আগেই বর্ষা ঢুকে গেল। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় পুরোটাতেই দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ ঘটেছে।
উত্তরবঙ্গে তো আগেই প্রবেশ করেছিল বর্ষা। ফলে বঙ্গে বর্ষামঙ্গলের সূচনা হয়ে গেল। কিন্তু এবার বর্ষা কতটা মঙ্গলময় হবে তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন আবহবিদেরা।
বর্ষা প্রবেশ করলেও তা দুর্বলভাবে প্রবেশ করেছে দক্ষিণবঙ্গে। তাই দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করলেও তার প্রভাবে বৃষ্টির দেখা নেই। আকাশ মেঘলা, বৃষ্টির একটা পরিস্থিতি তৈরি। কিন্তু বৃষ্টি নেই।
আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, বর্ষা এবার ভারতে স্বাভাবিকের চেয়ে নিচে বারিধারা দেবে। এমনকি তাঁরা এটাও জানিয়ে দিয়েছেন ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ডে বর্ষা প্রবেশ করে গেলেও তারপর কিন্তু ভারতের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়তে তার গতি আরও ধীর হয়ে যাবে। আর এর কারণ হিসাব তাঁরা এল নিনো-র সক্রিয়তাকেই কাঠগড়ায় চাপাচ্ছেন।
এল নিনো যে সক্রিয় হয়ে গেছে তার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এবার এল নিনো সক্রিয় হওয়া আর ভারতে বর্ষার শুরু প্রায় একসঙ্গে হয়েছে। এল নিনো ক্রমে তার প্রভাব ফেলতে শুরু করবে। যার সরাসরি প্রভাবে বর্ষায় বৃষ্টি কম পাবে ভারত।
একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রবেশে এখন উত্তর ভারত ও উত্তর পশ্চিম ভারতে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির সঙ্গে বজ্র বিদ্যুৎও দাপট দেখাচ্ছে। তবে এই পর্ব থামলে ফের পারদের উত্থান দেখতে পাওয়া যাবে বলেই মনে করছেন আবহবিদেরা।










