National

১২ বছরে একবার ফোটা ফুল দেখতে মানুষের ঢল, ফুলে হাত দিলে কি হবে জানিয়ে দিল প্রশাসন

এ ফুল ১২ বছরে একবার ফোটে। সেই বিরল দৃশ্য দেখতে মানুষের ঢল নামছে। এদিকে এই ফুলে হাত দিলে কি হতে পারে তা জানিয়ে দিল প্রশাসন।

যে ফুল ১২ বছরে মাত্র একবার ফোটে তা যখন ফুটবে তখন তাকে ঘিরে উন্মাদনা তৈরি হওয়াটাই স্বাভাবিক। এই ফুল ১২ বছর পর পর ফুটলেও যখন ফোটে তখন চারধার এই ফুলে ভরে ওঠে। ঝোপের মত চারধারে এই ফুল প্রচুর ফুটে থাকে।

দূর দূর পর্যন্ত কেবল তখন এই ফুলই নজর কাড়ে। যা দেখতে বহু মানুষ ভিড় জমান। বেগুনি নীল রংয়ের এই ফুল দেখার সুযোগ কেউই হাতছাড়া করতে চান না। ফলে আচমকাই নীলকুরিঞ্জি ফুল দেখতে দূর দূর থেকে সাধারণ মানুষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার, প্রকৃতি প্রেমী, ফটোশিকারিরা ভিড় জমাচ্ছেন তামিলনাড়ুর গুডালুর এলাকায়।

এই বিরল ফুলটি গুডালুর, ওসিমালাই, ও’ভ্যালি এবং নাডুকানি অঞ্চলে ভরে উঠেছে এই সময়। এখন চারধারে শুধু এই ফুল নজর কাড়ছে। যা দেখতে মানুষ এতটাই ভিড় জমাচ্ছেন যে প্রশাসনের তরফে বিষয়টি নিয়ে সতর্কতা জারি করতে হয়েছে। ট্রেনে, বাসে, গাড়িতে করেও মানুষ হাজির হচ্ছেন কেবল এই ফুল চোখে দেখার আশায়। কারণ এবার না দেখলে ফের ১২ বছরের অপেক্ষা।

যেখানে যেখানে এই ফুল ভরে গেছে সেখানে সাধারণের ঘোরাফেরায় নিয়ন্ত্রণ তৈরি করেছে তামিলনাড়ুর বন বিভাগ। চর্মচক্ষে এই ফুল দেখতে আসা মানুষজনকে ২টি বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে বন বিভাগের পক্ষ থেকে।

একটি হল ফুলে হাত না দেওয়া। এই ফুল দেখতে এসে কেউ যদি এই ফুলে হাত দেন বা ফুল তোলেন তাহলে শাস্তি স্বরূপ তাঁর ৩ বছর পর্যন্ত কারাবাস বা ২৫ হাজার টাকা জরিমানা বা ২টি একসঙ্গে হতে পারে। এ তো গেল ফুল তোলা বা ফুলে হাত দেওয়ার দিক। এছাড়া বন্য হাতি থেকেও সাবধান করেছে বন দফতর।

নীলকুরিঞ্জি ফুল যেখানে যেখানে ভরে গেছে সেসব জায়গা বন্য হাতির জন্যও বিখ্যাত। হাতির হানার কবলে যে কোনও সময় পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে পর্যটকদের।

তাই অতি ভিড় না এই জায়গার পরিবেশের দিক থেকে ভাল আর না মানুষের সুরক্ষার জন্য ভাল, এমনই জানিয়েছে তামিলনাড়ুর বন দফতর। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article
nilkantho.in App