এল নিনো দাপট বাড়াচ্ছে, কবে থেকে আকাল হবে প্রিয় মাছের, ইঙ্গিত পাওয়া গেল
এল নিনো ক্রমশ তার দাপট বাড়াচ্ছে। এল নিনোর দাপটে আকাল হবে একটি প্রিয় মাছের। কবে থেকে তার ইঙ্গিত পাওয়া গেল।
এল নিনো ইতিমধ্যেই সক্রিয়। তবে অক্টোবরের পর থেকে তা তার সর্বোচ্চ ক্ষমতায় পৌঁছবে। এল নিনোর প্রভাব থাকবে ২০২৭ সালের এপ্রিল মে পর্যন্ত। এল নিনোর প্রভাব সরাসরি পড়তে চলেছে সামুদ্রিক মাছের ওপর।
জলের তাপমাত্রা বাড়লে মাছেরা সাধারণভাবে সেই জায়গা ছেড়ে তাদের পরিচিত তাপমাত্রার জলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ফলে যে জায়গায় যে মাছের আধিক্য সেখানে তাদের খুঁজে পাওয়া যায়না।
চলতি বছরে অবশ্য এখনও সামুদ্রিক সার্ডিন মাছের কোনও আকাল দেখা যায়নি। প্রসঙ্গত সার্ডিন হল ছোট ইলিশ প্রজাতির মাছ। যাকে বাংলায় খয়রা জাতীয় মাছ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।
এছাড়া একে কাজল গৌরি, আইলা, বাংড়া, চাপিলা সহ নানা নামে ডাকা হয়। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে এমন নানা নামে তার পরিচিতি। এর নানা রান্নাও খুবই জনপ্রিয়। খয়রা তো পশ্চিমবঙ্গে যথেষ্ট প্রচলিত মাছ। এর পুষ্টিগুণও যথেষ্ট।
এই সার্ডিন জাতীয় তৈলাক্ত মাছের এ বছর কোনও অভাব নেই। কিন্তু সেন্ট্রাল মেরিন ফিশারিজ রিসার্চ ইন্সটিটিউট বা সিএমএফআরআই জানিয়ে দিয়েছে এ বছর সার্ডিনের অভাব না হলেও ২০২৭ সালে এই মাছের আকাল দেখা দেবে।
কারণ আগামী বছর মে মাস পর্যন্ত এল নিনো সক্রিয় থাকবে। তার আগেই মাছেরা তাদের চেনা জায়গা ছেড়ে চলে যাবে। ফলে সাগরে এ মাছ খুঁজে পাওয়া মুশকিল হবে। সার্ডিন প্রজাতির মাছ বাজারে পাওয়া মুশকিল হবে আগামী বছর। তার ইঙ্গিত এ বছরই পাওয়া গেল। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













