এল নিনো এবার সুপার এল নিনোর রূপ নিতে পারে, কেমন হবে তার প্রভাব
এল নিনো যে ক্রমশ তার প্রভাব বাড়াচ্ছে তা তো আগেই পরিস্কার হয়েছে। এবার এল নিনো সুপার এল নিনোর রূপ নিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। তার ফল কি হবে।
মধ্য এবং পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের জলের উপরিস্তরের তাপমাত্রা যখন স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৫ ডিগ্রি বেড়ে যায় এবং তা ৩ মাস করে পরপর ৫ বার একই থাকে, তখন এল নিনো শুরু হয়। আর জলের ওই উপরিভাগের তাপমাত্রা যদি ২ ডিগ্রির ওপর বেড়ে যায় তখন হয় সুপার এল নিনো। যার প্রভাব ভয়ংকর।
এবার সেই সুপার এল নিনো-র আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞেরা। যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি হবে আগামী নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসে। আর তার প্রভাব ২০২৭ সালের এপ্রিল, মে মাস পর্যন্ত বজায় থাকবে।
ফলে এক অতি গরম আবহাওয়ার মুখে পড়তে চলেছে ভারত সহ অনেক দেশ। এমনকি সুপার এল নিনো হলে তার প্রভাব গোটা বিশ্বের ওপরই পড়বে।
ভারতে এল নিনোর প্রভাবের ওপর কড়া নজর রাখছে সরকার। খরিফ শস্যের রোপণ জুলাই মাসে হয়ে থাকে। যার জন্য বর্ষা লাগে। কিন্তু এবার সেই বর্ষা জুলাই পাবে কি, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।
তবে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ নিরাশ করেনি। ভাল বর্ষা হয়েছে। তবু সরকারের তরফে পশ্চিমবঙ্গ সহ উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, কর্ণাটক, বিহার, ঝাড়খণ্ড, তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, পঞ্জাব এবং ওড়িশায় বৃষ্টির গতিবিধির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
এবার এল নিনো ক্রমশ প্রভাব বিস্তার করার সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গোপসাগর অশান্ত হবে। অশান্ত বঙ্গোপসাগরের জলস্ফীতি দেশের পূর্ব উপকূলীয় এলাকাগুলিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক জায়গায় বন্যা পরিস্থিতিও সৃষ্টি হতে পারে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













