১৫০ বছরের রেকর্ড ভাঙতে চলেছে ২০২৬ সালের এল নিনো, কি বলছেন বিজ্ঞানীরা
গত ১৫০ বছরে যত শক্তিশালী এল নিনো দেখতে পাওয়া গেছে ২০২৬-এর এল নিনো তার সব রেকর্ড ছাপিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
চলতি বছরের শুরুতেও লা নিনা-র প্রভাব ছিল প্রশান্ত মহাসাগরে। যা বছরের মাঝামাঝি পৌঁছে বদলে যায়। এখন কিন্তু এল নিনো অর্থাৎ লা নিনা-র ঠিক উল্টো অবস্থা প্রকট হতে শুরু করেছে। যা ক্রমেই তার দাপট বাড়াবে। উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী হবে আগামী নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসের মধ্যে।
বিজ্ঞানীরা ২০২৬ সালের এই এল নিনোকে বলছেন সুপার এল নিনো। একে গডজিলা এল নিনো নামেও ডাকা হচ্ছে। যেগুলি সবই একটি বিষয়ের দিকে আঙুল তুলছে। আর সেটা হল এবারের এল নিনো অতি ভয়ংকর হতে চলেছে।
প্রশান্ত মহাসাগরের জলের এই উত্তাপ বৃদ্ধির ঘটনার গত ১৫০ বছরের রেকর্ড পরীক্ষা করে দেখা গেছে খুব শক্তিশালী এল নিনো ৫ বারের মত প্রভাব ফেলেছে।
কিন্তু এবারের এল নিনো তার চেয়েও শক্তিশালী হতে চলেছে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এখনও তার দাপট বৃদ্ধির গতিপ্রকৃতি সেদিকেই ইঙ্গিত করছে।
সেক্ষেত্রে ২০২৬ সালের এল নিনো ইতিহাস রচনা করতে চলেছে। ১৫০ বছরে যা কখনও দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই এল নিনো সংক্রান্ত যে রিপোর্ট রাখা হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো ২০২৬-এর এল নিনো হতে চলেছে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। যা আমজনতার রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
ভারতে বর্ষায় তার প্রভাব ইতিমধ্যেই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক জায়গায় অতি বৃষ্টি এবং বন্যা পরিস্থিতি দেখা গেলেও সার্বিক বৃষ্টিপাত এখনও স্বাভাবিকের চেয়ে কম। যা এল নিনোর প্রভাবের ফল বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা।











