আসছে উৎসবের মরসুম, তার আগে চিনি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল সরকার
২ মাস পরই উৎসবের মরসুম। তার আগে চিনি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে।
দেশের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চাল, ডাল, আটা, তেলের মত চিনিও অপরিহার্য। উৎসবে আবার চিনির চাহিদা সাধারণ মানুষের জীবনে কিছুটা হলেও বেড়ে যায়।
সাধারণ মানুষ যাতে ন্যায্য দামে চিনি পেতে পারেন, যথেষ্ট পরিমাণ চিনি বাজারে থাকে, সহজেই চিনি পেতে পারেন আমজনতা, তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় উপভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রক। চিনি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল মন্ত্রক। যা ১ অগাস্ট থেকে লাগু হবে।
কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ১ অগাস্ট থেকে প্রতিটি চিনি ডিলারকে তাঁদের কাছে কত মজুত চিনি রয়েছে তা সরকারকে জানাতে হবে। প্রতি সপ্তাহে খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগের পোর্টালে তাঁদের কাছে মজুত চিনির পরিমাণ জানাতে হবে। আর তা প্রতি সপ্তাহে আপডেট করে যেতে হবে।
চিনি ডিলাররা যাতে অসাধুভাবে চিনি লুকিয়ে মজুত করতে না পারেন সেজন্যই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। চিনির মজুত ধরে রেখে বাজারে যাতে কোনও ছদ্ম চাহিদা তাঁরা তৈরি করতে না পারেন সেজন্যই এই সাপ্তাহিক মজুত ঘোষণার নির্দেশ জারি করেছে মন্ত্রক।
এতে চিনি অসাধুভাবে মজুত রাখার প্রবণতা কমবে। সরকার স্টক হোল্ডিং লিমিট তৈরি করায় চিনি ডিলাররা আর চিনি জোর করে ধরে রাখতে পারবেন না।
এতে সাধারণ মানুষ সহজে ন্যায্য দামে চিনি পেতে পারবেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। আপাতত ১ অগাস্ট থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এই নির্দেশ বহাল থাকবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা












