রাতে বাথরুমে যেতে দরজা খুলতেই হাড় হিম গৃহস্থের, বাইরে তখন ডেকে চলেছে কুকুর
একটানা রাস্তার কুকুরগুলো চিৎকার করছে। ঘুম ভেঙে যায় গৃহস্থের। তিনি বাথরুমে যেতে বাথরুমের দরজা খোলেন। খুলে যা দেখলেন তাতে আর্তনাদ করার শক্তিও হারালেন তিনি।
রাতের দিকে ঘুম ভেঙে গেলে অনেকেই বাথরুমে যান। তারপর প্রস্রাব সেরে ফের এসে ঘুমিয়ে পড়েন। এমন অভিজ্ঞতা প্রায় সকলেরই আছে। বাবুভাইয়ের অবশ্য রাতে আচমকা ঘুম ভাঙেনি। তাঁর ঘুম ভেঙে যায় পথ কুকুরদের চিৎকারে।
নিঝুম রাত। বাড়ির সকলে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। কিন্তু কুকুরগুলো অবিরাম চিৎকার করেই চলেছে। ঘুম ভেঙে উঠে বাবুভাই যান বাথরুমের দিকে। বাথরুমের দরজা খোলেন আপন মনে।
কিন্তু সেই ঘুম জড়ানো চোখ, আর অলস দেহ মুহুর্তের মধ্যে সজাগ হয়ে যায় বাথরুমের ভিতরে নজর যেতেই। গৃহস্থের শিরদাঁড়া দিয়ে কার্যত হিমস্রোত বয়ে যায়।
কারণ বাথরুমের মধ্যে তখন শুয়ে আছে একটি আস্ত কুমির। প্রায় ৭ ফুটের কুমিরটিকে দেখার পর আতঙ্কে বাবুভাই বাথরুমে না ঢুকে বেরিয়ে আসেন। তারপর মাঝরাতেই ফোন করেন বন দফতরে।
বন দফতরের কর্মীরা দ্রুত সেখানে হাজির হন। বাথরুমে পৌঁছে তাঁরা ওই কুমিরটিকে ধরতেও সমর্থ হন। কুমিরটিকে বেঁধে ওই বাড়ি থেকে বার করে নিয়ে যান তাঁরা। পরে কুমিরটিকে একটি স্থানীয় পুকুরে ছেড়ে দেন বন আধিকারিকরা।
ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাটের আনন্দ জেলায়। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, গুজরাটে এখন প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। অতিবৃষ্টিতে নদী, দিঘি, পুকুরের জল বেড়ে যায়। তখন সেখানে থাকা কুমিরগুলি খাবারের আশায় জনবসতিতে ঢুকে পড়ে। ফলে অনেকসময় কুমিরগুলি বাড়িতেও ঢুকে পড়ে।












