গণেশ চতুর্থীতে চমক দিল একটি মিষ্টির দোকান, বানাল সোনার মোদক, দাম ২৭ হাজার টাকা কেজি
সোনার মোদক। তবে তা খাওয়া যায়। সিদ্ধিদাতা গণেশকে নিবেদনের পর তা প্রসাদ হিসাবে নিশ্চিন্তে খাওয়া যায়। এমন মোদকে নজর কাড়ল একটি মিষ্টির দোকান।
গণেশ চতুর্থীতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভগবান গণেশের পুজোয় মাতোয়ারা মানুষজন। এখন পশ্চিমবঙ্গেরও বিভিন্ন জায়গায় গণেশ পুজোর আয়োজন হচ্ছে। গণেশ পুজোর সবচেয়ে বড় আয়োজন হয় মহারাষ্ট্রে। মহারাষ্ট্রের শ্রেষ্ঠ পুজোই হল গণেশ পুজো।
ভগবান গণেশের সবচেয়ে পছন্দের মিষ্টি হল মোদক। তাই এই সময় দেশের বিভিন্ন মিষ্টির দোকান মোদক তৈরি করে। কারণ চাহিদা এই সময় যথেষ্ট থাকে।
মহারাষ্ট্রের নাসিকের একটি মিষ্টির দোকানও অন্য মিষ্টির দোকানের মত মোদক বানিয়েছে। বিক্রি করছে। তবে সেই মিষ্টির দোকান দেশজুড়ে বিখ্যাত হয়ে উঠেছে। তাও রাতারাতি। কারণটা মোদক। তবে একটু অন্যরকম।
কারণ তারা তৈরি করেছে সোনার মোদক। খাওয়া যাবে এমনভাবেই সোনা ব্যবহার হয়েছে মোদকে। সেই সোনার মোদকের দামও নেহাত কম নয়। হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ তাতে সোনা ব্যবহার হয়েছে।
নাসিকের ওই মিষ্টির দোকানের সোনার মোদকের দাম ২৭ হাজার টাকা কেজি। দাম যাই হোক না কেন সোনার মোদক বানিয়ে কার্যত মিষ্টির দোকান হিসাবে সব আলোটুকু শুষে নিয়েছে সাগর সুইটস নামে ওই মিষ্টির দোকানটি। যাদের সোনার মোদকের কথা জেনে অনেকেই হাজির হচ্ছেন দোকানে।
না কিনলেও অনেকে কেবল চোখের দেখা দেখেও যাচ্ছেন সোনার মোদকের রূপ। প্রসঙ্গত গণেশ চতুর্থী মহারাষ্ট্রে খুব বড় করে পালিত হলেও অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর মত দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্যেও গণেশ পুজো বড় করে আয়োজিত হয়।











