সব ভালোর মাঝে একটাই চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে সুবর্ণরেখা নদী
সব ভাল হচ্ছে। সুখবর আসছে বিভিন্ন দিক থেকে। কিন্তু তারপরেও একটা চিন্তা পিছু ছাড়ছে না। আর সে চিন্তার নাম সুবর্ণরেখা।
পশ্চিমবঙ্গে যেমন একের পর এক নিম্নচাপের বৃষ্টিতে নাজেহাল জনজীবন, ঠিক তেমনই অবস্থার মধ্যে দিয়ে কাটিয়েছে ওড়িশাও। সেখানেও প্রবল বৃষ্টি হয়ে চলেছে। ফলে সেখানকার অনেক নদীর জলই বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছিল।
সেসব নদীর কাছাকাছি থাকা মানুষজন প্রমাদ গুনতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এখন ওড়িশা প্রশাসন অনেকটা স্বস্তি পেয়েছে। কারণ ওড়িশার সব নদীর জলই নেমেছে। এখন সেগুলি আর বন্যার কারণ হওয়ার মত অবস্থায় নেই। কিন্তু এই সুখবরের মধ্যেও একটা ছোট্ট চিন্তা থেকে গিয়েছে।
ওড়িশার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সব নদীর জলস্তর কমলেও সুবর্ণরেখা নদীর জল নিয়ে চিন্তা কমেনি। তা এখনও বিপদসীমার ওপরেই অবস্থান করছে। ফলে সুবর্ণরেখার আশপাশের এলাকায় একটা বন্যার চিন্তা থেকেই যাচ্ছে।
বৃষ্টি অনেকটাই কমেছে। তার ফলেই নদীগুলি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। কিন্তু বৃষ্টি কমলেও সুবর্ণরেখা এখনও ফুঁসছে। যদিও তারও জলস্তর একটু একটু করে কমছে।
এর মাঝেই ওড়িশার জাজপুর, ময়ূরভঞ্জ এবং বালেশ্বর জেলায় নতুন করে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জাজপুরে অনেক গ্রাম জলের তলায়। শুধু জাজপুরেই ২২টির মত ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে।
সেসব অস্থায়ী ত্রাণ শিবিরে জায়গা নিয়েছেন ৭ হাজার ৭৪৫ জনের মত মানুষ। তাঁদের খাওয়াদাওয়া, ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বন্দোবস্ত রয়েছে পানীয় জল সহ অন্যান্য সুবিধার। ওড়িশায় এখন বন্যার্তদের জন্য মোট ২৯টি ত্রাণ শিবির খোলা রয়েছে। যেখানে ১০ হাজারের ওপর মানুষ আশ্রয় পেয়েছেন। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













