বন্যাদুর্গত সাড়ে ৬ লক্ষের ওপর মানুষ, তার মধ্যে চলছে ভারী বৃষ্টি, অবস্থা আরও জটিল হচ্ছে
বানভাসি সাড়ে ৬ লক্ষের ওপর মানুষ। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের ভারী বৃষ্টির মুখে পড়তে হচ্ছে। আরও বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে। বাংলার পাশেই জলের তলায় ১৩টি জেলা।
বন্যা পরিস্থিতি বেশ কয়েকদিন ধরেই ভোগাচ্ছে বাংলার পড়শি রাজ্যকে। জল বেড়েই চলেছে। নদীগুলো ফুঁসছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে ইতিমধ্যেই বন্যাদুর্গতের সংখ্যা ৬ লক্ষ ৬৫ হাজার পার করেছে। জল কিন্তু নামার নাম নিচ্ছে না। বরং বৃষ্টি হচ্ছে। ভারী বৃষ্টি হচ্ছে অনেক জায়গায়।
সেই বৃষ্টির জলে আরও জলস্তর বাড়ছে। আতান্তরে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। এমনই পরিস্থিতির শিকার বিহার। বাংলা লাগোয়া এই রাজ্যের ১৩টি জেলা পশ্চিম চম্পারণ, পূর্ব চম্পারণ, গোপালগঞ্জ, সিওয়ান, সারণ, সীতামারি, সেওহর, মুজফ্ফরপুর, মধুবনী, দ্বারভাঙ্গা, বৈশালী, সমস্তিপুর এবং সুপৌল জলের তলায়।
আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় প্রমাদ গুনছে সুপৌল, সমস্তিপুর, সীতামারি এবং দ্বারভাঙ্গা। আবহাওয়া খারাপ হতে পারে বলে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
শুধু বৃষ্টি বলেই নয়, নেপাল ও উত্তরাখণ্ডে প্রবল বৃষ্টির জেরে বিহারের নদীগুলির জল অনেক বেড়েছে। প্রতিটি নদীই প্রায় ফুঁসছে। বক্সার থেকে ভাগলপুর পর্যন্ত গঙ্গা বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে।
এদিকে বন্যার জেরে রেল থেকে সড়ক যোগাযোগ অনেক জায়গায় বিপর্যস্ত হয়েছে। গঙ্গার পাশাপাশি শোন নদীও ফুঁসছে। ফলে শোনের আশপাশের এলাকা বানভাসি হয়েছে শোনের উপচে যাওয়া জলে।
এদিকে আগামী কয়েকদিনে বৃষ্টি পিছু ছাড়বে না বলেই মনে করছেন আবহবিদেরা। বন্যার জেরে অনেক পরিবার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র বাস করছে। অপেক্ষা করছে কবে জল নামবে তার জন্য। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











