National

২ জনের যাবজ্জীবন আজীবন একসাথে জীবন যাপনের পথ খুলে দিল, বাঁধা পড়ল সাতপাকে

একটি সংশোধনাগার চেনা ছবির বাইরে গিয়ে বিয়ের আয়োজনে মেতে উঠল। যাবজ্জীবনের মাঝে সাতপাকে বাঁধা পড়ল সেখানকারই এক নারী ও পুরুষ।

এই সংশোধনাগারে অনেকের সঙ্গে তারাও বন্দি। সাজা প্রাপ্ত বন্দি। যারা ২ জনই যাবজ্জীবন সাজা কাটাচ্ছে। এ সংশোধনাগারেই একসঙ্গে থাকাকালীন তাদের পরিচয়। তারপর ক্রমে ভালবাসা। প্রায় দেড় বছর ধরে তাদের প্রেমকাহিনি এ সংশোধনাগারের অনেকেই জানতেন।

অবশেষে যাবজ্জীবন আজীবন একসঙ্গে জীবন যাপনের পথ খুলে দিল। সীমা ও মুরালম বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। বিয়ের পর তো বাইরে সংসার পাতা যাবেনা। সাজা কাটাতে হবে এই যোধপুর সংশোধনাগারেই। কিন্তু ২টি প্রাণ তো এক সুতোয় জুড়ে যাবে। চারহাত এক হয়ে সারাজীবন একসঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার অঙ্গীকারটা তো হবে।

সংশোধনাগারের সুউচ্চ প্রাচীরের মধ্যেই তারা ভাল থাকতে চায়। তবে বিয়েটা অন্তত গ্রামের বাড়িতে করতে চেয়েছিল মুরালম। হাইকোর্টে আবেদনও জানায়। আদালত সবদিক বিবেচনা করে বিয়েটা ওই সংশোধনাগারেই আয়োজনের অনুমতি দেয়।

সেইমত শুরু হয় বিয়ের আয়োজন। বাইরে থেকে বেশি জনকে তো নিমন্ত্রণ করা যাবেনা। হাতেগোনা গুটিকয়েক জন অংশ নিতে পারবেন। তাতেই খুশি ২ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত নারী পুরুষ।

তাদের আশা তারা বিয়ে করে সুখে থাকতে চায়। সংসার করতে চায়। তাদের সুআচরণের জন্য যদি তাদের সাজা কিছুটা কম হয় তাহলে আগামী দিনে তারা সংশোধনাগারের বাইরে নিজেদের মত করে বিবাহিত জীবন কাটাবে।

তবে সেসব অনেক দূরের কথা। আপাতত তাদের চারহাত এক হওয়া সংশোধনাগারের মধ্যে এক উৎসবের আবহ তৈরি করে দিয়েছে। বুধবার ২২ জুলাই তাদের বিয়ে বেশ গুছিয়েই হওয়ার সব ব্যবস্থা আগেভাগেই করে ফেলেন অনেকে মিলে।

Show Full Article