বিমানের ককপিটে পাইলটের সিটে বসতে চাইলে নামতে হবে সমুদ্রের ৭২ ফুট গভীরে
বিমানের ককপিটে পাইলট যেখানে বসেন সেই চেয়ারে বসলে কেমন লাগে সেই অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে নামতে হবে সমুদ্রের ৭২ ফুট গভীরে।
সমুদ্রের নিচে নামলে পাওয়া যাচ্ছে বিমানের পাইলটের আসনে বসার সুযোগ। তাছাড়া একটি জাম্বো জেটের বিশালত্ব ও তার ভিতরের আনাচকানাচ ঘোরার জন্যও সমুদ্রের নিচে নামতে হচ্ছে।
যে যান আকাশে ওড়ে তার অন্দরের কথা জানতে কিনা সমুদ্রের গভীরে যেতে হচ্ছে! ডুবো জাহাজের ভিতরের অভিজ্ঞতা পেতে সমুদ্রের নিচে নামার হলে একটা কথা ছিল! তা বলে বিমান! সেটাই কিন্তু হচ্ছে। আর এটা এখন এক অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ। যা ২০১৬ সালের এক সরকারি পদক্ষেপের হাত ধরে তৈরি হয়েছে।
২০১৬ সালের জুন মাসে তুরস্ক সরকার তাদের একটি এয়ারবাস এ৩০০-এর মত বিশাল ও দানবীয় চেহারার বিমানকে জলে ডুবিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বিমানটি আর চালানোর মত অবস্থায় ছিলনা।
তাই তুরস্ক সরকার স্থির করে বিমানটিকে সমুদ্রের জলে ডুবিয়ে দেওয়া হবে। এতে ২টি লাভও আছে। এক তো বিমানটিকে নষ্ট করতে হত, সেটা না করে কাজে লাগানো যাবে।
সমুদ্রের তলায় একটি পর্যটন আকর্ষণও তৈরি করা যাবে। যাঁরা সমুদ্রে ডাইভ করে জলের তলার সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান তাঁদের জন্যও সুযোগ তৈরি হবে।
বিমানটিকে বিশেষভাবে ধীরে ধীরে তুরস্কের কুসাদাসি শহরের কাছে এজিয়ান সাগরের জলের নিচে নামিয়ে দেওয়া হয়। ব্যবস্থা করে তুরস্ক সরকারই। জলের ৭২ ফুট নিচে বালির সমুদ্রতলে সেটিকে বসিয়ে দেওয়া হয়।
এই বিমানটি ক্রমে হয়ে ওঠে পর্যটন আকর্ষণ। অনেকেই ডাইভ দিয়ে এই বিমানের ভিতর ঘুরে দেখেন। ককপিটে গিয়ে হাজির হন। তারপর ককপিটে থাকা সিটে বসে সেখানে বসার অভিজ্ঞতা উপভোগ করেন। তাও সমুদ্রের তলদেশে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় একটি বিমান যাকে জলের তলায় নিয়ে গিয়ে রেখে দেওয়া হয়েছে, তা এখন বহু মানুষের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।













