রাজা লঙ্কায় বাজিমাত, বছরে ৩২ লক্ষ রোজগার, লঙ্কার মেলা বসে এ গ্রামে
রাজা লঙ্কার হাত ধরে যে একটা গ্রাম এমন অর্থনৈতিক দাপট ভোগ করতে পারে তা এই গ্রামটিকে না দেখলে বিশ্বাস হবেনা। যেখানে লঙ্কার মেলা বসে।
লাল লঙ্কা। আকারে একটু বড়। তবে ঠিক শুকনো লঙ্কার মত নয়। বরং এ লঙ্কা কাঁচা লঙ্কার মতই। তবে দেখতে রাজকীয়। সেই রাজকীয় চেহারার জন্যই হয়তো এ লঙ্কার নাম রাজা মির্চা। তবে স্থানীয়ভাবে এর নাম নাগা কিং চিলি। যার চাহিদা নজরকাড়া।
এই লঙ্কার জন্য বিশেষ একধরনের পরিবেশ প্রয়োজন হয়। আর প্রকৃতি তা ঢেলে দিয়েছে সেইহামা গ্রামে। নাগাল্যান্ডের এই গ্রাম তার লঙ্কার জন্য ভারত তো বটেই, বিশ্বের নানা প্রান্তেও বিখ্যাত। এখানকার মানুষের পেশাই হল রাজা লঙ্কার চাষ। এ গ্রামে যা রাজা লঙ্কা হয় তা বিক্রি করে গ্রামের আয় হয় ৩২ লক্ষ টাকার মত।
সেইহামা গ্রামে ৪৮২টি পরিবারের বাস। তারমধ্যে ১৮০টি পরিবার সরাসরি এই রাজা লঙ্কা থেকে উপকৃত। এই গ্রামের আচারের চাহিদাও যথেষ্ট। রয়েছে স্বনির্ভর গোষ্ঠী। যারা আচার তৈরি করে।
এ গ্রামে আচার বেচে সারা বছরে উপার্জন হয় ২ লক্ষ টাকার মত। তবে গ্রামের সুনাম তার নাগা কিং চিলির জন্য। এ গ্রামে ৪ বছর ধরে তাদের এই বিখ্যাত লঙ্কা নিয়ে উৎসব আয়োজিত হচ্ছে। এই উৎসবে রাজা লঙ্কার অর্থনৈতিক দিকটি আলোচিত হচ্ছে।
তার ফলন ও বাড়তে থাকা চাহিদা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রসঙ্গত চলতি বছরে এ গ্রামে পরিবেশ এতটাই অনুকূল ছিল যে রাজা লঙ্কার চাষ খুব ভাল হয়েছে। ফলনও হয়েছে যথেষ্ট। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা











