বাংলার পাশেই মাটি খুঁড়ে পাওয়া গেল প্রাচীন নগর, নজর কাড়ল লোহা গলানোর কারখানা
প্রত্নতাত্ত্বিকরা মনে করছেন মাটি খুঁড়ে যে নগর সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেল তা ইতিহাস বদলে দিতে পারে। আর তা বেশি দূরে নয়, পাওয়া গেল বাংলার পাশেই।
এ জায়গার কাছ দিয়ে বয়ে গেছে সুবর্ণরেখার উপনদী কেরান্দি। যেখানে প্রাগৈতিহাসিক সময় থেকে মধ্যযুগ পর্যন্ত এমন এক নগর সভ্যতার হদিশ পাওয়া গেছে যা ইতিহাস বদলে দিতে পারে।
এখানে খনন চালানোর পর মাটির তলায় যা পাওয়া যায় তা প্রত্নতাত্ত্বিকদের অবাক করেছে। আগে ধারনা ছিল এখানে গ্রামের মত কিছু ছিল। কিন্তু সেখানে যে দস্তুরমত একটি নগর ছিল তার প্রমাণ দিল লোহা গলানোর জায়গা।
মাটি খুঁড়ে সেই লোহা গলানোর জায়গার দেখা পাওয়া গেছে। একটি নয়, একাধিক। চারধারে লোহারও দেখা মিলেছে। শত শত লোহার টুকরো ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
যা থেকে বিশেষজ্ঞেরা মনে করছেন এখানে যথেষ্ট সমৃদ্ধ লোহার কারখানা ছিল। এই স্থান ছিল প্রাচীন যুগের একটি শিল্প তালুক। ফলে সেখানে যে একটি নগর সভ্যতা বিরাজ করত সে বিষয়ে প্রায় নিশ্চিত বিশেষজ্ঞেরা।
ওড়িশার পুরুনাগড়ের ওই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে খননের পর সেখান থেকে অনেক সেরামিকের জিনিসও পাওয়া গেছে। পাওয়া গেছে মাটির পাত্র। এছাড়া পাথরের নানা আকারের যন্ত্রপাতি, পাথরের কুঠার, পাথরের তৈরি পেষাই যন্ত্র এবং পাথরের আরও নানা জিনিস উদ্ধার হয়েছে।
বিশেষজ্ঞেরা মনে করছেন, উচ্চ ও মধ্য মহানদী উপত্যকার ইতিহাস এই খোঁজ বদলে দিতে পারে। সেই সঙ্গে ওড়িশার প্রাচীন যুগের আর্থসামাজিক পরিস্থিতির নতুন দিক তুলে ধরতে পারে এই আবিষ্কার।











