আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনকে জলে ডুবিয়ে নষ্ট করার পরিকল্পনা, বাধ সাধছেন পরিবেশবিদরা
আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন বা আইএসএস-এ অনেক মহাকাশচারীর সঙ্গে পা রেখেছেন ভারতের শুভাংশু শুক্লাও। সেই বিশাল কর্মকাণ্ডকে এবার জলে ডোবাতে চাইছে নাসা।
কিছু সময় আগেই আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে কিছুদিন কাটিয়ে এসেছেন ভারতের নভশ্চর শুভাংশু শুক্লা। তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পা রাখলেন।
বিভিন্ন সময়ে এই আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে নানা গবেষণার কাজ চালিয়েছেন নানা দেশের মহাকাশচারীরা। মাসের পর মাস সেখানে থেকেছেন। সেই আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনকে এবার জলে ডুবিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে নাসা।
আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের আয়ু ফুরিয়ে এসেছে। ২০৩০ সালে তার জীবনকাল শেষ হবে। তাই ২০৩১ সালে সেটিকে জলে ডোবাতে চাইছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
কর্মক্ষমতা শেষ হলে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনকে নষ্ট করে ফেলতে হবে। সেজন্য সেটিকে তার কক্ষেই ফেলে রাখা যেতে পারে। আবার সেটিকে আরও দূরে অন্তরীক্ষে ঠেলে দেওয়া যেতে পারে।
কিন্তু নাসা চাইছে এসব রাস্তায় না হেঁটে বরং সেটিকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে। অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করিয়ে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনকে প্রশান্ত মহাসাগরের একটি বিশেষ জায়গায় এনে ফেলতে চাইছে তারা।
প্রশান্ত মহাসাগরের এই অংশকে স্পেসক্রাফট সিমেট্রি বা মহাকাশযানের কবরখানা বলা হয়। কিন্তু এই পরিকল্পনা জানার পরই সাগরের জলের বাস্তুতন্ত্র নষ্ট ও সামুদ্রিক প্রাণের জন্য পরিবেশ সমস্যার বিষয় সামনে এনেছেন পরিবেশবিদরা। সামুদ্রিক পরিবেশ নষ্ট নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন।
৪২০ টন ওজনের আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন প্রশান্ত মহাসাগরে ডুব দিলে তা সেখানকার বড় অংশের স্বাভাবিক সমুদ্র পরিবেশ বিনষ্ট করবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।













