পৃথিবীর কাছাকাছি ওটার পরিচয় কি, অবশেষে রহস্যের সমাধান করল নাসা
পৃথিবীর কাছাকাছি থাকা একটি রহস্যের সমাধান আটকে ছিল প্রায় ১ বছর। ধাঁধা হয়ে ঘুরপাক খাচ্ছিল বিজ্ঞানী মহলে। অবশেষে তার সমাধান করল নাসা।
ধাঁধা ও ধন্ধের সূত্রপাত হয় ২০২৫ সালের ২৮ অগাস্ট। ওইদিন পৃথিবীর ৩০ লক্ষ কিলোমিটার দূর দিয়ে একটি মহাজাগতিক বস্তু চলে যায়। সেইসময় এটির যে ছবি ধরা পড়ে তাতে প্রথম সন্দেহ দানা বাঁধে বিজ্ঞানীদের মনে।
কারণ তাঁরা এতদিন ধরে জানতেন যে ওটি একটি গ্রহাণু। কিন্তু এই প্রথম তাঁদের ওই বস্তুটির গতি প্রকৃতি দেখে মনে হয় সেটি গ্রহাণুর মত নয়, বরং ধূমকেতুর মত আচরণ করছে। তাহলে কি এতদিন ভুল ধারনা ছিল?
ওটা আসলে একটা ধূমকেতু, যাকে গ্রহাণু বলে মনে হচ্ছিল? কিন্তু ধাঁধাটা থেকে যায়। বস্তুটির আচরণ এতটাই রহস্যময় যে তাকে কখনও মনে হচ্ছিল গ্রহাণু আবার কখনও ধূমকেতু। খুব হালকা ছবি ধরা পড়ছিল।
বিজ্ঞানীরা এই রহস্য সমাধানে নেমে পড়েন। কাজে লাগানো হয় অতিশক্তিশালী যন্ত্র। যাতে সেটির গতিপ্রকৃতি ঠিকঠাক ধরা পড়ে। তাতে দেখা যায় ১৯৯৮ এসএইচ২ নামে ওই বস্তুটি কক্ষে তার ঠিক যেখানে অবস্থান করার কথা সেখানে অবস্থান করছেনা।
এখানে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়। কেন পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে ওই বস্তুর অবস্থান সেটা খুঁজতে শুরু করে অবশেষে এ রহস্যের সমাধান করলেন তাঁরা।
বিজ্ঞানীরা জানিয়ে দিলেন এতদিন যে মহাজাগতিক বস্তুকে গ্রহাণু বলে জানা ছিল তা মোটেও গ্রহাণু নয়। একটি ধূমকেতু। যার থেকে নির্গত গ্যাস ধূমকেতুটিকে মহাকাশে অবস্থান পরিবর্তন করতে সাহায্য করছে।











