SciTech

মঙ্গলগ্রহে হাওয়ার গতির ধারনাই বদলে দিল ৮ কিলোমিটার উঁচু ধুলোর দানব কুণ্ডলী

মঙ্গলগ্রহে হাওয়ার গতি কেমন থাকে সে সম্বন্ধে এতদিন যে ধারনা ছিল তা এবার অনেকটাই হয়তো বদলে ফেলতে হবে। ধুলোর দানব কুণ্ডলীর দেখা মিলল সেখানে।

মঙ্গলগ্রহে যেমন নাসার রোবট যান ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করছে, তেমনই মঙ্গলের মাটিতে পা না দিয়েও সারাক্ষণ মঙ্গলকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে একাধিক যান। যা নিরন্তর মঙ্গলের বিভিন্ন প্রান্তের তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে চলেছে।

এমনই একটি যান মার্স এক্সপ্রেস স্পেসক্রাফট। এই যানটি মঙ্গলকে পাক খেতে খেতে এমন এক ছবি ক্যামেরাবন্দি করেছে যে বিজ্ঞানীরা তা দেখার পর মঙ্গলে হাওয়ার গতি সম্বন্ধে এতদিনের ধারনাই বদলে ফেলতে চলেছেন।

ছবিতে ধরা পড়েছে উত্তর মঙ্গলে ম্যামার্স ভ্যালেজ-এর গিরিখাতের আশপাশে ৩০টি দানবীয় চেহারার হাওয়ার ঘূর্ণি। যা ধুলোর কুণ্ডলী হয়ে পাক খাচ্ছে এবং এগিয়ে যাচ্ছে দুরন্ত গতিতে।

মঙ্গলগ্রহে যখন সূর্যের উত্তাপ বাড়ে তখন মাটির কাছে থাকা হাওয়া উপরের দিকে উঠতে থাকে। যখন ওঠে তখন সঙ্গে নিয়ে ওঠে ধুলোর ঘূর্ণি। এই দানব ধুলোর ঘূর্ণিও তেমনই।

এমন পাক খাওয়া ধুলোর ঘূর্ণি পৃথিবীর রুক্ষ ও ধুলোয় ভরা প্রান্তরে দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু মঙ্গলগ্রহের এই ঘূর্ণিগুলি ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত উপরে উঠেছে। যা পৃথিবীতে দেখা যায়না।

মঙ্গলগ্রহে হাওয়ার গতি সম্বন্ধে যে ধারনা ছিল বিজ্ঞানীদের তা এই দৃশ্য দেখার পর বদলে ফেলার পথে হাঁটছেন তাঁরা। মঙ্গলে হাওয়ার গতি সম্বন্ধে তাঁদের যে ধারনা ছিল তার চেয়ে অনেক জায়গায় যে অনেকটা বেশি থাকে হাওয়ার গতি তা এই পাক খাওয়া ধুলোর কুণ্ডলী থেকে স্পষ্ট বিজ্ঞানীদের কাছে। মঙ্গলের এই ধুলোর কুণ্ডলী নিয়ে আলোকপাত করেছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি।

Show Full Article