পর্তুগালের সোনা, রূপো ভরা জাহাজের ৫০০ বছর পর খোঁজ পাওয়া যায় মরুভূমির বালির তলায়
ভারতে আসার জন্য জলে ভেসেছিল ইউরোপ থেকে। তারপর কোথায় যে হারিয়ে যায়। ৫০০ বছর পর সেই সোনা, রূপো ভর্তি জাহাজের খোঁজ পাওয়া যায় মরুভূমির বালির তলায়।
সময়টা ১৫৩৩ সাল। সে সময় পর্তুগাল থেকে একটি বিশাল জাহাজ ভেসে পড়ে সমুদ্রের জলে। রওনা দেয় ভারতের উদ্দেশে। সে জাহাজে ছিল ভর্তি সোনা, রূপো, হাতির দাঁত সহ অনেক মূল্যবান জিনিস। বম জেসাস নামে জাহাজটি সমুদ্রে ভেসে পড়লেও তা ভারতে পৌঁছয়নি।
কোথায় হারিয়ে গেল তার খোঁজও পাওয়া যায়নি। জাহাজের কোনও নাবিকেরও হদিশ মেলেনি। ফলে বম জেসাসের অন্তর্ধান এক রহস্য হয়েই থেকে যায়।
২০০৮ সালে আফ্রিকার নামিবিয়ার হিরের খনির এক কর্মী সেখানকার একটি মরুভূমির বালির মধ্যে কিছু একটা দেখতে পান। কাঠের কাঠামো নজরে পড়ে তাঁর।
খবরটি পাওয়ার পর সেটি কি তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়। আর তখনই দেখা যায় ধুধু বালির প্রান্তরে বালির তলায় লুকিয়ে আছে একটি আস্ত জাহাজ।
সেই জাহাজ পরীক্ষা করে সোনা, রূপো সহ মূল্যবান জিনিসপত্র উদ্ধার হয়। জানা যায় সেটি অন্য কোনও জাহাজ নয়, ওটাই বম জেসাস। কিন্তু জলের জাহাজ বালির মরুভূমির মধ্যে পৌঁছল কীভাবে?
অনুমান করা হয় জাহাজটি হয়তো আটলান্টিক মহাসাগরে কোনও প্রবল ঝড়ের মধ্যে পড়েছিল। সেই ঝড়ের দাপটেই সেটি কোনওভাবে নামিবিয়ার সমুদ্র ঘেঁষা ওই মরুভূমিতে পৌঁছে যায়।
তবে অতটা পথ কেবল ঝড়ে উড়িয়ে আনল? সে রহস্য এখনও উদ্ঘাটন হয়নি। তবে ঐতিহাসিকরা খুশি এটা জেনে যে বম জেসাসের সঙ্গে যাই ঘটে থাকুক না কেন সেটি যে ৫০০ বছর পার করে খুঁজে পাওয়া গেছে, তার ভিতরে থাকা সব জিনিসপত্রের খোঁজ পাওয়া গেছে, এটাই অনেক।











